গত বছর বাংলাদেশের মাটিতে একটি সাদা বলের সিরিজ খেলার কথা ছিল ভারতের। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতায় সিরিজটি তখন স্থগিত হয়ে যায়। সূচি পাল্টে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ইতিবাচকভাবে কিছু এগোয়নি।
তবে আশা ছাড়ছেন না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। সিরিজটির জন্য নতুন সময়সূচি খুঁজতে দুই দেশের বোর্ড ‘আন্তরিক’ বলে জানিয়েছেন তিনি।
দুই দলের মধ্যে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ২০২৫ সালের আগস্টে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটায় ম্যাচগুলো সেসময় মাঠে গড়ায়নি।
ভারত ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) তখন জানিয়েছিল যে, সিরিজটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। তবে দুই দেশের মধ্যকার পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় শিগগিরই তা মাঠে গড়ানোর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
রোববার ‘নট আউট নোমান’ পডকাস্টে বিসিবি প্রধান তামিম বলেন, তারা এখনও আশা ছাড়েননি, ‘সিরিজটি যেন অনুষ্ঠিত হয়, সে ব্যাপারে উভয় বোর্ডই খুব আন্তরিক।’ তিনি জানান, ‘বিসিসিআই ও বিসিবি— আমরা দুই পক্ষই ফাঁকা সময় খুঁজছি, কোন সময়ে কী করা যায়। আমাদের উদ্দেশ্য খুবই ইতিবাচক।’
বার্তা সংস্থা এএফপি সোমবার জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। এর মধ্যে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। পরে তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি।
সম্প্রতি বিসিবি ও বিসিসিআইয়ের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হলেও সিরিজটির ভাগ্য মূলত নির্ভর করছে দুই দেশের সরকারের উপর।
ভারত দল সবশেষ ২০২২ সালে বাংলাদেশ সফর করেছিল। অন্যদিকে, বাংলাদেশ দল শেষবার ভারত সফর করেছিল ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে।