স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, আগামী ৪ বছরের মধ্যে সবার কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাবে। রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও ফ্যামিলি কার্ড পাবে, কেউ বাদ যাবে না।
রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুর গ্রামে আজ মঙ্গলবার সকালে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও কবর সংস্কারসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজে ‘শহীদ আবু সাঈদ ফাউন্ডেশনে’ এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
শাহে আলম বলেন, আগামী ৪ বছরে মধ্যে কৃষকদের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে যাবে।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশের যেসব এলাকায় বেহেশতের টিকিট বিক্রির রাজনীতি করে একটি দল নির্বাচিত হয়েছে, সেসব এলাকায় কৃত্রিমভাবে সারের সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে।
১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, বাইরের দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য অহেতুক ১১ দল এরকম কর্মসূচি নিচ্ছে। তেলের ক্রাইসিস থাকলে লং মার্চ কীভাবে করল ১১ দল; যদি লং মার্চ করে সমস্যা সমাধান হত তাহলে বিএনপি টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত লং মার্চ করত।
মীর শাহে আলম বলেন, একটি রাজনৈতিক দল বেহেশতের কথা বলে ভোট নিয়েছে, কিন্তু মসজিদ, মাদ্রাসা, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় শিক্ষকদের নিয়ে চিন্তা করেনি। তাদের নিয়ে চিন্তা করেছেন তারেক রহমান।
তিনি অরও বলেন,বর্তমানে দেশে সারের কোনো বাস্তব সংকট নেই। তিনি অভিযোগ করে বলেন, সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা যেসব জেলায় জয়লাভ করেছেন, কেবল সেসব জেলাতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দলের কর্মীদের দিয়ে কৃত্রিম সংকট ও হট্টগোল তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সুন্দর সুন্দর কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সেগুলোকে সমর্থন না দিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো অপতৎপরতাই কাজে আসবে না। সরকার তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।’ এ সময় শহীদ আবু সাঈদের কবর ও বাড়ির সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এক কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
এ সময় জেলা পরিষদ প্রশাসক ও রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডনসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।