রামু উপজেলার ঈদগড়ে পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ভেসে নিখোঁজের চারদিন পরে সাজিদুল ইসলাম সাজিদ (১৩) নামে এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঈদগাঁও উপজেলার ফুলেশ্বরী খালের গজালিয়া এলাকায় তার মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করে রামুর ঈদগড় এলাকায় নিয়ে যান।
নিহত সাজিদুল ইসলাম সাজিদ (১৩) রামু উপজেলার ঈদগড় ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কোনারপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।
এর আগে, গত বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে ঈদগড় ইউনিয়নের হাসনাকাটা কোনাপাড়া সংলগ্ন ফুলেশ্বরী খালে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে আসা লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সাজিদ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মুবিন জানান, কয়েকদিনের ভারী ও অতিভারী বর্ষণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফুলেশ্বরী খালে প্রবল স্রোতের সৃষ্টি হয়। বুধবার বিকেলে স্থানীয়দের সঙ্গে সাজিদও ঢলের পানিতে ভেসে আসা লাকড়ি সংগ্রহ করছিল। একপর্যায়ে প্রবল স্রোতের টানে সে ভেসে যায়।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, স্বজন ও পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
ঈদগাঁও থানার ওসি এটিএম সিফাতুল মাজদার বলেন, গত ৮ জুলাই নদীতে কাঠ কুড়ানোর সময় তীব্র স্রোতে কিশোরটি নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
তিনি আরও বলেন, শনিবার সকালে ঈদগাঁও উপজেলার ফুলেশ্বরী খালের গজালিয়া নদীতে মরদেহটি ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা পরিবার ও পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি নদী থেকে তুলে রামুর ঈদগড় এলাকায় নিয়ে যান।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, নিখোঁজ কিশোর সাজিদুল ইসলাম সাজিদের মরদেহ গজালিয়া নদী থেকে উদ্ধার করা হয়। ঈদগাঁও থানার মাধ্যমে খবর পেয়ে রামু থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও আইনি পক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শু/আজা