নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা দির্ঘ দিন থেকে ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় থাকার কারণে ভাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। শুধু তাই নয় ছোট ছোট শিল্প, দোকান পাট, ব্যবসা প্রতিষ্টান আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং বিদ্যুৎ ঘাটতি জনিত কারণে সার্বক্ষনিক ইন্টারনেট সুবধিা না থাকায় ইন্টারনেট নির্ভর ব্যবসায়িক প্রতিষ্টানের মালিকরাও আর্থিকভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে এবং জনগণ পড়ছে ভোগান্তিতে। অপর দিকে অফিস আদালতের কার্যক্রমও হচ্ছে ব্যাহত। ফলে অফিস আদালতের কার্যক্রম সেবা থেকেও জনগণ হচ্ছে বঞ্চিত।
বিদ্যুৎ যেহেতু প্রতিটি মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের উন্নয়নের একমাত্র প্রাণ শক্তি। আর এই প্রাণ শক্তির উৎপাদন বৃদ্ধি করতে না পারায় দেশ, জাতি ও জনগণ অন্ধকারের অতলগর্ভে নিমজ্জিত হওয়ার পথে ধাবিত হচ্ছে বলে উপজেলার সচেতন মহলের অভিমতে প্রকাশ। বদলগাছী উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় ৬১ হাজার ৬০০ জন গ্রাহক রয়েছে । বিদ্যুতের মোট চাহিদা ২৬ মেগা ওয়াট। দির্ঘ দিন থেকে রাতে চাহিদ ১৬ মেঘাওয়ার্ডের বিপরীতে সরবরাহ আসে ৮ মেগা ওয়াট এবং দিনে ১২ মেগা ওয়াটের বিপরীতে সরবরাহ আসে ৫ থেকে ৬ মেগা ওয়াট, গড়ে ৪৫ থেকে ৫০% মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ আসে। মোট ৫০% অথাৎ ১৩ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতি থাকছে বলে বদলগাছী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস সুত্রে জানা গেছে।
ফলে এক ঘন্টা পর পর লোড শেডিং চলছে। উপজেলার শেনপাড়া মৌজায় অবস্থিত ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দের (বিদ্যুৎ বিতরন) উপস্থিত গ্রেড লাইন ম্যান-১ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন নওগাঁ ৩৩,০০০ হাজার ভোল্টটেজের লাইন বন্ধ থাকলে অতিরিক্ত এক দেড় ঘন্টা বিদ্যুতের লোড শেডিং বৃদ্ধি পায়। প্রেক্ষিতে ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় থাকছে বদলগাছী উপজেলা। বদলগাছী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম শ্রী রঞ্জন কুমার বলেন, চাহিদার তূলনায় গড়ে ৪৫ থেকে ৫০% বিদ্যুৎ সরবরাহ আসে এবং বাকি ৫০% বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতি থাকায় এক ঘন্টা পর পর লোড শেডিং চলছে।
শু/আজা