কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি মানবিক কারণে আসামিদের পক্ষে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কাইমুল হক রিংকু। তিনি বলেন, রাষ্ট্র ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে পারে, সেক্ষেত্রে সেটা নির্দিষ্ট আইনজীবী লড়বেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়্যাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের ‘হত্যা’ মামলার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
কাইমুল হক রিংকু বলেন, আমরা অপ্রতিমের বাবা-মাকে ন্যায় এবং সুষ্ঠু বিচারের বিষয়ে আশ্বস্ত করেছি। সুষ্ঠু তদন্ত শেষে অপরাধীদের আদালতে পাঠানোর জন্য আমরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ জানাই। শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
তদন্ত সুষ্ঠুভাবেই আগাচ্ছে, আমরা আশা করছি, ন্যায়বিচার পাব। কোনো আইনজীবী মামলা না নিলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে রাষ্ট্র অপরাধীদের জন্য আইনজীবী দেবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. বেলাল উদ্দীন, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. সহিদ উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল হক খন্দকার, সাবেক সভাপতি অ্যাড. মো. শরিফুল ইসলামসহ জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যান্য আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান বলেন, অপ্রতিম খুবই মিশুক একটা ছেলে ছিল।
অপরাধীদের বয়স নিয়ে একটা লুকোচুরি আমরা দেখতে পাচ্ছি। আপনাদের কাছে অনুরোধ, রামিসা হত্যার বিচারের মতো আমাদের অপ্রতিম হত্যারও সুষ্ঠু বিচার যেন হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করীম বলেন, অপরাধীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে গ্রেপ্তার করেছে, সেভাবে তাদের থেকে জবানবন্দি নিতে আপনাদের ভূমিকা রয়েছে। অভিভাবকের সমস্যাকে কাজে লাগিয়ে কোনোভাবেই যেন অপরাধী শাস্তি থেকে মুক্তি না পায়, সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে আপনাদের অনুরোধ জানাই। রামিসা হত্যার বিচার যেমনভাবে হয়েছে অপ্রতিমের হত্যারও যেন দ্রুত বিচার হয়।
শু