হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় প্রধানমন্ত্রীর

ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী

বাসস
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০
সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও ছবি:
সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে নিজের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আসনটির আটটি মন্দিরের প্রতিনিধিরা তাঁর সঙ্গে দেখা করে পূজার আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।

মতবিনিময়কালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁদের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। দুর্গাপূজার ছুটি ও অনুদান বাড়ানোর জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তা থেকে সদিচ্ছার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে সম্প্রদায়ের নেতারা নিজেরাই উল্লেখ করেছেন। আরও কিছু বিষয়ে সরকার কাজ করার চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।

নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয়কে বিবেচনায় না নেওয়ার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সব ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছেন। তাঁর বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে লড়েছেন। একইভাবে ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষ অংশ নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তখন অন্য কাজে কেন ধর্মকে বিবেচনা করব? দেশটা সবাই মিলে স্বাধীন করেছি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই অংশ নিয়েছি।”

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হওয়ার প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, তাঁর দলের মুসলমান কর্মীদের মতো হিন্দু কর্মীরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সে ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো পার্থক্য ছিল না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আল্লাহতালা আমাকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। আমি আমার অবস্থান থেকে চেষ্টা করব, ধর্মের পরিপ্রেক্ষিতে নয়, বরং মানুষ হিসেবে প্রত্যেককে আমার ক্ষমতার মধ্যে যতটুকু নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব, তা নিশ্চিত করতে।”

তিনি আরও বলেন, একজন নাগরিক ও মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের যে অধিকার এবং যা প্রাপ্য, সরকারপ্রধান হিসেবে তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করাই তাঁর কর্তব্য। নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন বলে জানান। তাঁদের ভাষ্য, বর্তমানে তাঁরা কোনো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন না। বিএনপিকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না বলেও তাঁরা মন্তব্য করেন। সরকারের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তাঁরা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলক সাহা, বারিধারা ডিওএইচ পূজা কমিটির সভাপতি জীবন কানাই দাস, ব্রিটিশ চন্দ্র কর্মকার, নারায়ণ চন্দ্র সাহা, প্রদীপ চন্দ্র দাস, শিখা রানী দাস, শ্যামল কুমার দাস ও রাজিব কুমার আচার্য।

এ ছাড়া ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য তারেক রহমানের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি এবং বনানী সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ সফিকুজ্জামান রতন উপস্থিত ছিলেন।

১

ইসরায়েলের নির্দেশনায় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের ক্রু বাদ দিচ্ছে এয়ার ফ্রান্স

২

শেষ দিনে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট, আফগানিস্তানের ৩৪৭ রান

৩

লিটনের সেঞ্চুরি, ৪৭৮ রানের লিডে ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের

৪

সাব্বিরকে নিয়ে হংকং সিক্সেসের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

৫

সাদিক কায়েমের ছাত্রলীগের মিছিলে থাকার ছবি দেখালেন নুর

৬

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্তে শতাধিক আবেদন

৭

টেকসই উদ্ভাবনে পোশাকশিল্পের ১২ উদ্যোগকে পুরস্কার দেবে বিজিএমইএ

৮

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে: হাসনাত

৯

প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ৪৬৯ শিক্ষার্থী, সর্বোচ্চ ৩২ জন ঢাবির

১০

হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে যুবকের দেহে জরায়ু, ডিম্বনালি

১১

জ্ঞানেশের পর মোদি-অমিতের পালা, থামানো যাবে না: রাহুল

১২

কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ টন প্লাস্টিকের ‘দানব’

১৩

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষাবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত

১৪

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে বড় স্বপ্ন নিয়ে কুয়েতের পথে ফর্টিস

১৫

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি শাসনের প্রথম দিনেই ২৭৮ পিটিআইকর্মী আটক

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত