পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও দুই পক্ষ কোনও সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি ফোনকলের কারণেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি বলে দাবি করেছে তেহরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এ অভিযোগ করেন। তিনি লিখেছেন, ‘বৈঠকের মাঝে ভ্যান্সকে (মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচক দলের প্রধান) নেতানিয়াহুর ফোন আলোচনার ফোকাস যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইস্যু থেকে সরিয়ে ইসরায়েলের স্বার্থের দিকে নিয়ে যায়।’ তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ইরান আন্তরিকতার সঙ্গে অংশ নিয়েছিল। পাকিস্তান ত্যাগের আগে ভ্যান্সের সংবাদ সম্মেলনকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ আখ্যা দেন তিনি। তবে ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুর ওই ফোনকলের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা এবং আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা। তেহরানের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র শুধু হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিজেদের ও মিত্রদের জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নয়, বরং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা এবং বিদ্যমান ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তরের দাবিও জানায়। এসব শর্তকে ওয়াশিংটনের ‘চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব’ হিসেবে উপস্থাপন করেন ভ্যান্স। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় তেল পরিবহন ও জ্বালানির দামের অনিশ্চয়তা আবারও বেড়েছে। ৯ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার আগে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৯ ডলারের বেশি ছিল, যা হরমুজ সংকটের শুরুর দিকের পর সর্বোচ্চ। স্বল্প সময়ের কূটনৈতিক বিরতিতে তা কমে প্রায় ৯৫ ডলারে নেমে এলেও এখন আবার দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষের আগে নতুন কোনও সমঝোতা না হলে তেলের দামে আবার অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। আন্তর্জাতিক নেতানিয়াহুর এক ফোনেই ভেস্তে যায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা! পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা আলোচনার পরও দুই পক্ষ কোনও সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একটি ফোনকলের কারণেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি বলে দাবি করেছে তেহরান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেয়া এক বার্তায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এ অভিযোগ করেন। তিনি লিখেছেন, ‘বৈঠকের মাঝে ভ্যান্সকে (মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচক দলের প্রধান) নেতানিয়াহুর ফোন আলোচনার ফোকাস যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইস্যু থেকে সরিয়ে ইসরায়েলের স্বার্থের দিকে নিয়ে যায়।’ তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ইরান আন্তরিকতার সঙ্গে অংশ নিয়েছিল। পাকিস্তান ত্যাগের আগে ভ্যান্সের সংবাদ সম্মেলনকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ আখ্যা দেন তিনি। তবে ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুর ওই ফোনকলের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা এবং আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা। তেহরানের দাবি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র শুধু হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিজেদের ও মিত্রদের জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নয়, বরং ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা এবং বিদ্যমান ইউরেনিয়াম মজুত হস্তান্তরের দাবিও জানায়। এসব শর্তকে ওয়াশিংটনের ‘চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব’ হিসেবে উপস্থাপন করেন ভ্যান্স। আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় তেল পরিবহন ও জ্বালানির দামের অনিশ্চয়তা আবারও বেড়েছে। ৯ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়ার আগে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৯ ডলারের বেশি ছিল, যা হরমুজ সংকটের শুরুর দিকের পর সর্বোচ্চ। স্বল্প সময়ের কূটনৈতিক বিরতিতে তা কমে প্রায় ৯৫ ডলারে নেমে এলেও এখন আবার দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষের আগে নতুন কোনও সমঝোতা না হলে তেলের দামে আবার অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।