ইউক্রেনকে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার দাবি রাশিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র সরবরাহ এবং তুরস্কের মাধ্যমে সেই অস্ত্র ইউক্রেনে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা-সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে রাশিয়া। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে ব্যাখ্যাও চেয়েছে মস্কো।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা শনিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক এ বিষয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে দুই দেশের সঙ্গে রাশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে।

বিবৃতিতে জাখারোভা বলেন, গোয়েন্দাসূত্রে রাশিয়া জানতে পেরেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রথমে তুরস্কের বন্দরে পৌঁছাবে এবং পরে সেখান থেকে ইউক্রেনে পাঠানো হবে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, গোপন অস্ত্রের চালান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে ব্যাখ্যা চাইছে রাশিয়া। যৌক্তিক ব্যাখ্যা না পাওয়া গেলে ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সঙ্গে মস্কোর কূটনৈতিক সম্পর্কে গুরুতর ক্ষতি হতে পারে।

উল্লেখ্য, চার বছরেরও বেশি সময় ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে। গত কয়েক মাস ধরে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতিতে ভুগছিল ইউক্রেন। সম্প্রতি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

রাশিয়ার দাবি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আর অস্ত্র সহায়তা করবে না। অন্যদিকে, এই যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নেওয়া তুরস্কও বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে জানিয়েছে, এমন কোনো পদক্ষেপ তারা নেবে না, যা যুদ্ধকে আরও উসকে দিতে পারে।

এদিকে রাশিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সামারা অঞ্চলে গত কয়েক দিন ধরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ধারাবাহিক হামলার খবর পাওয়া গেছে। এই অঞ্চলে রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রোসকসমসের একটি দপ্তর রয়েছে।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জেলেনস্কি দাবি করেন, রোসকসমসের একটি স্থাপনা লক্ষ্য করে সফল হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ‘ফ্লেমিঙ্গো’ ব্যবহার করা হয়েছে।

 

শু/আজা

বিষয়:

রাশিয়া
এলাকার খবর

সম্পর্কিত