সুপ্রিম কোর্টমুখী বিরোধীদের পদযাত্রা আটকাল পুলিশ, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ পাননি নেতারা

জ্ঞানেশের পর মোদি-অমিতের পালা, থামানো যাবে না: রাহুল

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০
 ছবি:

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রা করেছেন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র নেতারা। সোমবার (১২ অক্টোবর) কংগ্রেস নেতা ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে শুরু হওয়া পদযাত্রাটি সুপ্রিম কোর্টের কাছাকাছি ভগবান দাস রোডে আটকে দেয় পুলিশ। এর আগে বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেওয়ার চেষ্টা করলেও তিনি তাঁদের সময় দেননি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং বিরোধীদের প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে এদিন দিল্লিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা যায়।

পদযাত্রার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, এটি বিচ্ছিন্ন কোনো আন্দোলন নয়; প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি। তাঁর ভাষায়, ‘এরপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পালা। আমাদের থামানো যাবে না।’

রাহুলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের প্রভাবের কারণে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তাঁর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের অভিযোগের বিপরীতে ক্ষমতাসীন বিজেপি এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

সুপ্রিম কোর্টের কাছাকাছি আটকে দেওয়া হয় পদযাত্রা

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং অন্যান্য বিরোধী নেতা-কর্মী পদযাত্রায় অংশ নেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা এবং বিভিন্ন বিরোধী দলের সমর্থকেরা।

পদযাত্রাটি প্রায় দুই কিলোমিটার এগোনোর পর ভগবান দাস রোডে পুলিশ বাধা দেয়। জায়গাটি সুপ্রিম কোর্ট থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে। পুলিশের বাধার মুখে বিক্ষোভকারীদের একাংশের সঙ্গে নিরাপত্তাকর্মীদের ধস্তাধস্তি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। রাহুলসহ কয়েকজন নেতা একটি গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন ও যান চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে স্বাভাবিক চলাচলও ব্যাহত হয়।

পদযাত্রার মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া। বিরোধীদের দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া, সংশোধনের পদ্ধতি এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের বিষয়ে আদালতের নজর দেওয়া প্রয়োজন। তবে প্রধান বিচারপতি তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজি না হওয়ায় স্মারকলিপি সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি।

সাক্ষাৎ কেন দিলেন না প্রধান বিচারপতি

রাহুল গান্ধী ও রাজ্যসভার বিরোধীদলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ বিরোধী জোটের নেতারা প্রধান বিচারপতির কাছে সাক্ষাতের সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল এসআইআর, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ এবং সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত চিঠির জবাবে সাক্ষাৎ না দেওয়ার কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্যের সারকথা ছিল, বিরোধীদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক মামলা ইতিমধ্যে আদালতে বিচারাধীন। বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আদালতের বাইরে বৈঠকে আলোচনা বিচারিক শিষ্টাচার ও ক্ষমতার পৃথকীকরণের নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

এ ছাড়া, এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে আলোচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া প্রধান বিচারপতির এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদসহ সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতায় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আদালতের বিচারিক ক্ষমতা রয়েছে। এ বিষয়ে কেউ যথাযথ আবেদন বা মামলা করলে আদালত আইন অনুযায়ী তা বিবেচনা করতে পারে।

সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি সাক্ষাৎ না দেওয়ার কারণগুলো প্রকাশ্যে বিস্তারিত বলতে চাননি। তিনি জানান, বিরোধী নেতাদের সঙ্গে চিঠি বিনিময়ের বিষয়টি তিনি গোপনীয় রেখেছেন। তবে সাধারণ নাগরিক বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি—যে কেউ আইনের আশ্রয় নিতে পারেন এবং আদালত আইন অনুযায়ী আবেদন শুনবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ ও পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে প্রধান বিচারপতি বলেন, এটি আইনশৃঙ্খলার বিষয়। একই সঙ্গে আদালতকে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে টেনে না আনার পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার অধিকার থাকলেও আদালতের কার্যক্রম, আইনজীবী, আদালতকর্মী ও বিচারপ্রার্থীদের কাজে যেন বাধা না আসে।

এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি নতুন নয়। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে এবং সংশোধনের পদ্ধতি নিয়ে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, যথাযথ যাচাই ও আপিলের সুযোগ নিশ্চিত না হলে প্রকৃত ভোটাররা ভোটাধিকার হারাতে পারেন।

রয়টার্সের ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের বিভিন্ন পর্যায়ে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ পড়ার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চলছে। তবে বাদ পড়া নামগুলোর মধ্যে মৃত ভোটার, অন্যত্র চলে যাওয়া ব্যক্তি ও যাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়নি—এমন বিভিন্ন শ্রেণির নামও রয়েছে। বিরোধীদের দাবি, প্রক্রিয়াটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল ও জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকারকে অসমভাবে প্রভাবিত করতে পারে। এসব অভিযোগের জবাবে ক্ষমতাসীন বিজেপি অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বিরোধী জোটের নেতারা এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত, ভোটার তালিকা সংশোধনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত, বাদ পড়া নামের নিরীক্ষা এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের একটি আবেদনে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, তৃণমূল কংগ্রেসের সৌগত রায়, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা তেজস্বী প্রসাদ যাদবসহ একাধিক নেতা স্বাক্ষর করেছেন বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

বিরোধীদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের ওপর জনআস্থা বজায় রাখতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিটি ধাপের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, ভোটার তালিকা হালনাগাদকে নির্বাচন পরিচালনার নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছে সরকারপক্ষ। ফলে বিতর্কটি এখন শুধু ভোটার তালিকার প্রযুক্তিগত সংশোধনে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, ভোটাধিকার এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থার প্রশ্নও যুক্ত হয়েছে।

যন্তর মন্তর ঘিরে উত্তেজনার ধারাবাহিকতা

সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। গত শনিবার (১০ অক্টোবর) তরুণদের সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও অন্যান্য সংগঠনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই দিন দুই হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছিল। তবে বিভিন্ন সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমে আটকের সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দাবি এসেছে।

বিক্ষোভের আগে দিল্লি পুলিশ জনসমাবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ায়। সিজেপির নেতারা অভিযোগ করেন, তাঁদের কর্মসূচি ঠেকাতে ব্যাপক ধরপাকড় চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার যুক্তি তুলে ধরে বিধিনিষেধের পক্ষে অবস্থান নেয়।

পরবর্তী সময়ে সিজেপি শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলে দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরের পরিবর্তে তিনটি স্থান নির্ধারণ করে দেয়—রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান। এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে সিজেপি নেতারা বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। সংগঠনটির দাবি, প্রতিবাদের স্থান সীমিত করা এবং নেতাকর্মীদের আটক করে আন্দোলন থামানো যাবে না।

সিজেপির নেতারা রোববার সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে বলেন, দিল্লিতে বিক্ষোভের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে পরিস্থিতিকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে উত্তেজনাপূর্ণ করা হচ্ছে। সংগঠনটি সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানায়।

আদালত, নির্বাচন কমিশন ও প্রতিবাদের অধিকার

দিল্লির সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে তিনটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি কীভাবে হবে এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের ক্ষেত্রে প্রশাসনের বিধিনিষেধের সীমা কোথায়।

ভারতের সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদে মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার স্বীকৃত। তবে জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে নির্দিষ্ট শর্তে যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগও রয়েছে। এসব বিধিনিষেধ প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক কি না, তা পরিস্থিতি এবং প্রযোজ্য আইনের ভিত্তিতে বিচার করতে হয়। ফলে দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি এবং সরকারের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত যুক্তি—দুটিই বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।

বিরোধী নেতাদের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকাশ্য ব্যাখ্যা ছাড়া জনআস্থা ফিরিয়ে আনা কঠিন। তাঁদের মতে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার নিষ্পত্তির কার্যকর পথ থাকতে হবে। অন্যদিকে, প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেছেন যে আদালত রাজনৈতিক বৈঠকের মাধ্যমে নয়, বরং যথাযথ আবেদন ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিষয়গুলো বিবেচনা করবে।

সোমবারের পদযাত্রা তাই কেবল একটি প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল না; এটি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং বিরোধীদের রাজনৈতিক প্রতিবাদের অধিকার নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কের অংশ। প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া এবং সুপ্রিম কোর্টের কাছাকাছি পুলিশের বাধা বিরোধীদের কর্মসূচিকে থামাতে পারেনি, তবে তাঁদের দাবির আইনি নিষ্পত্তি এখন আদালতের প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।

১

ইসরায়েলের নির্দেশনায় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের ক্রু বাদ দিচ্ছে এয়ার ফ্রান্স

২

শেষ দিনে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট, আফগানিস্তানের ৩৪৭ রান

৩

লিটনের সেঞ্চুরি, ৪৭৮ রানের লিডে ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের

৪

সাব্বিরকে নিয়ে হংকং সিক্সেসের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

৫

সাদিক কায়েমের ছাত্রলীগের মিছিলে থাকার ছবি দেখালেন নুর

৬

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্তে শতাধিক আবেদন

৭

টেকসই উদ্ভাবনে পোশাকশিল্পের ১২ উদ্যোগকে পুরস্কার দেবে বিজিএমইএ

৮

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে: হাসনাত

৯

প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ৪৬৯ শিক্ষার্থী, সর্বোচ্চ ৩২ জন ঢাবির

১০

হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে যুবকের দেহে জরায়ু, ডিম্বনালি

১১

জ্ঞানেশের পর মোদি-অমিতের পালা, থামানো যাবে না: রাহুল

১২

কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ টন প্লাস্টিকের ‘দানব’

১৩

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষাবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত

১৪

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে বড় স্বপ্ন নিয়ে কুয়েতের পথে ফর্টিস

১৫

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি শাসনের প্রথম দিনেই ২৭৮ পিটিআইকর্মী আটক

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত