যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ, এবার লক্ষ্য আগাম ভোট

ট্রাম্পের দেশে ‘নো কিংস’ আন্দোলন

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০
 ছবি:

৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে প্রায় তিন হাজার কর্মসূচি; বড় সমাবেশের বদলে স্থানীয় পর্যায়ে ভোটারদের সংগঠিত করার কৌশল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে আবারও যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ করেছেন ‘নো কিংস’ আন্দোলনের সমর্থকেরা। গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) দেশটির বিভিন্ন শহর ও এলাকায় আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পাশাপাশি আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোট দিতে ভোটারদের উৎসাহিত করা হয়। আগের মতো বড় সমাবেশের ওপর নির্ভর না করে এবার ছোট ছোট স্থানীয় কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানো, ভোট দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে সচেতন করা এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন আয়োজকেরা।

আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশজুড়ে প্রায় তিন হাজার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন শহরে সমাবেশ, সংগীতানুষ্ঠান, পদযাত্রা ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রচারণা চলে। কোথাও বিক্ষোভকারীরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে জড়ো হন, কোথাও সংগীতের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করেন। কর্মসূচিগুলোতে ‘ভোট দিন’, ‘আগাম ভোট দিন’ এবং ‘আমার ভোটে হাত দেবেন না’—এ ধরনের স্লোগান দেখা যায়। সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারের কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভোটারদের সক্রিয় করা। 

প্রতিবাদের পাশাপাশি ভোটের প্রস্তুতি

‘নো কিংস’ আন্দোলনের এবারের কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য দিক হলো, শুধু ট্রাম্পবিরোধী ক্ষোভ প্রকাশ নয়, ভোটের মাঠে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ। আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত সংগঠকেরা ভোটারদের নিবন্ধন যাচাই, ভোটকেন্দ্রের অবস্থান জানা এবং আগাম ভোট বা ডাকযোগে ভোট দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে সচেতন করার চেষ্টা করছেন। যেসব এলাকায় আগাম ভোটের সুযোগ চালু হয়েছে, সেখানে ভোটারদের সেই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ‘ইনডিভিজিবল’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা এজরা লেভিনের বক্তব্য অনুযায়ী, আগের কর্মসূচিগুলো মূলত প্রতিবাদের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছিল। এবার সেই বার্তাকে ভোটে অংশগ্রহণের উদ্যোগে রূপ দিতে চান তাঁরা। ভোটারদের আগাম ভোটে উৎসাহিত করার পাশাপাশি নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংগঠকদের ধারণা, ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো গেলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ মোকাবিলায় ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

ওয়াশিংটনে লিংকন মেমোরিয়ালের কাছে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতেও আগাম ভোটের আহ্বান জানানো হয়। সেখানে সংগীত পরিবেশনার পাশাপাশি বিক্ষোভকারীরা ভোটাধিকার রক্ষার দাবি জানান। আটলান্টার সিটি কাউন্সিল সদস্য মাইকেল জুলিয়ান বন্ড ভোট দেওয়াকে নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হিসেবে উল্লেখ করে উপস্থিত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশ নিতে এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করতে বলেন।

ওয়াশিংটনের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া মানুষের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে ‘ভোট দিন’ ও ‘আমার ভোটে হাত দেবেন না’—এমন বার্তা ছিল। এসব স্লোগানের মধ্য দিয়ে আন্দোলনকারীরা বোঝাতে চেয়েছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকের মত প্রকাশের পাশাপাশি ভোটের মাধ্যমে সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহির আওতায় আনার সুযোগও গুরুত্বপূর্ণ।

কেন ‘নো কিংস’ আন্দোলন

‘নো কিংস’ কথাটির অর্থ—‘আমাদের কোনো রাজা নেই’। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা কোনো এক ব্যক্তির হাতে সীমাহীনভাবে কেন্দ্রীভূত হওয়ার সুযোগ নেই—এই ধারণাকে সামনে রেখেই আন্দোলনটির নামকরণ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগের ধরন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন এবং ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করছে। তাঁদের মতে, প্রেসিডেন্ট নিজেকে কার্যত আইনের ঊর্ধ্বে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর ২০২৫ সালের জুনে প্রথম বড় পরিসরের ‘নো কিংস’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ওই বছরের অক্টোবরে এবং ২০২৬ সালের মার্চে দেশজুড়ে আরও বড় কর্মসূচি হয়। ১৭ অক্টোবরের কর্মসূচিটি ছিল আন্দোলনের চতুর্থ বড় জাতীয় পর্যায়ের আয়োজন। প্রতিবারই ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি ও ক্ষমতা প্রয়োগের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পাশাপাশি গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার দাবি সামনে এসেছে।

তবে আন্দোলনের সব অংশগ্রহণকারীর উদ্বেগ এক নয়। কারও কাছে নির্বাহী ক্ষমতার বিস্তার প্রধান বিষয়, কেউ অভিবাসননীতি, সরকারি সেবায় কাটছাঁট, জীবনযাত্রার ব্যয় কিংবা ভোটাধিকার নিয়ে উদ্বিগ্ন। ফলে ‘নো কিংস’ কোনো একক দাবিতে সীমাবদ্ধ না থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসন্তোষ প্রকাশের একটি বিস্তৃত মঞ্চে পরিণত হয়েছে।

ইরান যুদ্ধ ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তোষও রাজনৈতিক বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং পেট্রলের দাম বৃদ্ধির চাপ সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সমালোচকেরা।

‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধের সঙ্গে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সম্পর্ক এবং এ নিয়ে মার্কিন ভোটারদের অসন্তোষের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি শুধু বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনার বিষয় নয়; রিপাবলিকানদের সমর্থনপ্রবণ কিছু এলাকাতেও এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ফলে অর্থনৈতিক চাপ ও পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্ন আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তবে তাঁর জনপ্রিয়তার হার সম্পর্কে বিভিন্ন জরিপে ভিন্ন ফল পাওয়া যেতে পারে। নির্দিষ্ট জরিপের প্রতিষ্ঠান, সময় ও নমুনা উল্লেখ ছাড়া কোনো একটি সংখ্যাকে চূড়ান্ত চিত্র হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। অর্থনৈতিক অসন্তোষ ও প্রশাসনের নীতির প্রতি বিরোধিতা রিপাবলিকানদের নির্বাচনী অবস্থানে কী প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে ভোটারদের অংশগ্রহণ, প্রার্থী এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর পরিস্থিতির ওপর।

ডাকযোগে ভোট নিয়ে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রে আগাম ভোট ও ডাকযোগে ভোটের ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ। তবে এই পদ্ধতির নির্ভরযোগ্যতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ডাকযোগে ভোটের সমালোচনা করে আসছেন এবং ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগও তুলেছিলেন। তবে ওই নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতির অভিযোগের পক্ষে তিনি যে দাবি করেছেন, তার পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে এপি জানিয়েছে।

এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ভোটের যোগ্যতা যাচাই ও ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট গণনা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন ক্যালিফোর্নিয়ার নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলায় ফেডারেল কর্তৃপক্ষের চিহ্নিত কিছু ব্যক্তির নাগরিকত্বের অবস্থা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ডাকযোগে পাঠানো ব্যালট গণনা বন্ধ রাখার আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিচার বিভাগ স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সন্দেহভাজন অ-মার্কিন নাগরিকদের ব্যালট গণনা করলে তদন্ত ও বিচারের ঝুঁকি থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে।

এ নিয়ে ডেমোক্র্যাট সিনেটররা বিচার বিভাগের কাছে নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যয়ন করার আগে ব্যালট বা নির্বাচনী নথি জব্দ না করার নিশ্চয়তা চেয়েছেন। এসব ঘটনা ভোটারদের যোগ্যতা যাচাই, রাজ্যগুলোর নির্বাচনী কর্তৃত্ব এবং ফেডারেল সরকারের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে।

‘নো কিংস’ আন্দোলনের আয়োজকদের আশঙ্কা, নির্বাচনে রিপাবলিকানরা প্রত্যাশিত ফল না পেলে ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হতে পারে। এ কারণে তাঁরা আগাম ভোট, ভোটারদের তথ্য সরবরাহ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে নির্বাচনের ফল নিয়ে কী ঘটবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে কী প্রভাব পড়তে পারে

৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের সব আসন এবং সিনেটের একাংশে ভোট হবে। এই নির্বাচনের ফল প্রেসিডেন্টের বাকি মেয়াদে আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন, প্রশাসনের জবাবদিহি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সম্পর্ককে প্রভাবিত করতে পারে।

ক্ষমতাসীন দলের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচন সাধারণত সরকারের কাজের মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। অর্থনীতি, জ্বালানির দাম, অভিবাসন, পররাষ্ট্রনীতি এবং ভোটাধিকার নিয়ে বিতর্ক ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি নাগরিক অধিকার ও ভোটাধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোও ভোটারদের সক্রিয় করার চেষ্টা করছে।

তবে ‘নো কিংস’ আন্দোলনের কর্মসূচি যত বিস্তৃতই হোক, তার প্রভাব সরাসরি নির্বাচনী ফলাফলে কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে ভোটারদের বাস্তব অংশগ্রহণ ও বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর। ছোট ছোট স্থানীয় কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর কৌশল আন্দোলনটির নতুন দিক তুলে ধরেছে। এবার রাজপথের প্রতিবাদকে ভোটকেন্দ্রে অংশগ্রহণে রূপ দিতে পারা আন্দোলনটির জন্য বড় পরীক্ষা।

১

রানি-কাজলদের বাড়ির পূজা এবার কেন বিশেষ

২

মর্গে মরদেহের সঙ্গে যৌনাচারের অভিযোগ, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলেছে শুক্রাণু

৩

ওসমানী উদ্যান এক দশক পর খুলছে আজ

৪

দেশ গড়ার সংগ্রামে ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: প্রধানমন্ত্রী

৫

৫৬ বছর ধরে একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত

৬

ক্যালিফোর্নিয়ায় তিন সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে ৩ বাংলাদেশি-আমেরিকান

৭

ট্রাম্পের দেশে ‘নো কিংস’ আন্দোলন

৮

কৈলাশ থেকে দুর্গার সঙ্গে আসেন লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশ

৯

বিক্ষোভে সংঘর্ষ-ভাঙচুর-লুটপাট, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে ফ্রান্স

১০

ওয়েবসাইট ও গোপন টেলিগ্রাম গ্রুপে মাদক বিক্রি, লক্ষ্য দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী

১১

সময়ের হিসাবে বড় বদল

১২

এগিয়ে আছেন বিএনপির তিন নেতার আত্মীয়

১৩

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ১৮ সদস্যের দল চূড়ান্ত

১৪

দুর্গাপূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ আনসার সদস্যের মৃত্যু

১৫

দয়া করে এই বিষয়টিকে আপনারা অবশ্যই গুজব হিসেবে ধরবেন: ইশরাক

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত