প্রস্তুতি ও সুযোগ-সুবিধার পরও প্রশ্নের মুখে দুই কোচ

ধারাবাহিক ব্যর্থ বাটলার-টিটু, জবাবদিহি করবে কে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০
 ছবি:

বাংলাদেশ নারী ফুটবলের উত্থানের গল্পে গত কয়েক বছরে যুক্ত হয়েছিল নতুন স্বপ্ন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা, প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন—সব মিলিয়ে মনে হয়েছিল, দক্ষিণ এশিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু সেই অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতা কোথায়? সাফল্যের পর একের পর এক হতাশাজনক ফল, রক্ষণে ভঙ্গুরতা, আক্রমণে অসহায়ত্ব এবং দল নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক আবারও সামনে এনেছে পুরোনো প্রশ্ন—বাংলাদেশ নারী ফুটবলের পরিকল্পনা আসলে কী, আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায় নেবেন কে?

সিনিয়র নারী দলের প্রধান কোচ পিটার বাটলার এবং অনূর্ধ্ব-১৭ দলের কোচ এ কে এম সাইফুল বারী টিটু—দুজনের অধীনেই সাম্প্রতিক সময়ে বড় প্রতিযোগিতায় প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। দুই দলের প্রস্তুতিতে বিদেশ সফর ও অনুশীলন ম্যাচের ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু মাঠের ফল সেই প্রস্তুতির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সিনিয়র দল এশিয়ার শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হেরেছে; বয়সভিত্তিক দলও বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে জিততে না পেরে মূল পর্বে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে।

সাফের ব্যর্থতা থেকে এশিয়ান গেমসে বিপর্যয়
পিটার বাটলারের অধীনে বাংলাদেশের নারী দল একসময় সাফল্যের শিখরে উঠেছিল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ২০২৬ সালের এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মূল পর্বে প্রথমবারের মতো জায়গা করে নেওয়া ছিল বড় অর্জন। কিন্তু সাফল্যের পরবর্তী ধাপে সেই দল কতটা এগিয়েছে, তার পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখা গেছে বড় ঘাটতি।

২০২৬ সালের নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশের অভিষেক হয়েছিল চীনের কাছে ২-০ গোলে হারের মধ্য দিয়ে। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে দলটি হারে ৫-০ গোলে। এশিয়ার শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্যের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। তবে বড় মঞ্চে হারকে শুধু ব্যর্থতা হিসেবে দেখলে চলবে না; সেই অভিজ্ঞতা থেকে দল কতটা শিখল, পরবর্তী প্রতিযোগিতায় তার প্রতিফলন ঘটল কি না, সেটিও মূল্যায়নের বিষয়। 

সেই মূল্যায়নে আরও কঠিন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে এশিয়ান গেমসে। জাপানের ওসাকায় উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে হারের পর দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশ হারে ৬-০ গোলে। প্রথম দুই ম্যাচে ১৬ গোল হজম করলেও বাংলাদেশ একটিও করতে পারেনি। এরপর মিয়ানমারের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয় দলের এশিয়ান গেমস অভিযান। তিন ম্যাচে দুই হার ও এক ড্র—একটি গোলও করতে না পারা বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে আক্রমণ ও রক্ষণ, দুই বিভাগের দুর্বলতাই সামনে এনেছে।

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে একাধিক অভিজ্ঞ খেলোয়াড়কে শুরুর একাদশে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও শামসুন্নাহারদের মতো পরিচিত মুখদের বাইরে রেখে তরুণদের ওপর নির্ভর করেছিলেন বাটলার। তরুণদের সুযোগ দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অংশ হতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষের শক্তি, ম্যাচের গুরুত্ব এবং দলের ভারসাম্য বিবেচনা করে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিই আলোচনার বিষয়। বিরতির পর অভিজ্ঞদের নামিয়েও বড় ব্যবধানের হার ঠেকানো যায়নি।

বাটলার অবশ্য উত্তর কোরিয়ার কাছে হারের পর দল নির্বাচন ও তরুণদের উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, দলকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে প্রয়োজনীয় কাঠামো ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হারের পরও তিনি এশিয়ার শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধানের কথা বলেছেন। সেই ব্যবধান বাস্তব; উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, অবকাঠামো এবং প্রতিযোগিতার সুযোগ বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে। কিন্তু ব্যবধান কমানোর জন্য যে পরিকল্পনা দরকার, তার মূল্যায়নও কোচ ও ফেডারেশনের দায়িত্বের অংশ।

 প্রস্তুতি ছিল, ফল কোথায়
এশিয়ান গেমসের আগে বাংলাদেশ দল চীনের গুয়াংজুতে প্রস্তুতি ক্যাম্প করেছে এবং অনুশীলন ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে। ফলে প্রস্তুতির ব্যবস্থা ছিল না—এমন দাবি করা যায় না। বরং প্রশ্ন হলো, সেই প্রস্তুতিতে কোন দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং প্রতিযোগিতায় সেগুলো কাটিয়ে ওঠার পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হয়েছিল।

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ১০ গোল হজমের পর দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। কিন্তু ফল বদলায়নি। এর অর্থ এই নয় যে, কোচের প্রতিটি সিদ্ধান্তই ভুল ছিল; বরং দল নির্বাচন, প্রতিপক্ষ বিশ্লেষণ, রক্ষণভাগের সংগঠন, চাপের মুখে বল ধরে রাখা এবং গোল খাওয়ার পর খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে স্থির রাখার মতো বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীন মূল্যায়ন প্রয়োজন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, জাতীয় দলের জন্য খেলোয়াড় তৈরির কাঠামো কতটা শক্তিশালী? বাটলার নিজেও নারী ফুটবলের অবকাঠামো, প্রতিযোগিতামূলক লিগ ও অভিজ্ঞতার ঘাটতির কথা বলেছেন। এসব সমস্যা এক দিনে তৈরি হয়নি এবং শুধু একজন কোচের পক্ষে সমাধান করাও সম্ভব নয়। কিন্তু ফেডারেশনের দায়িত্ব হলো, এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কী অর্জন সম্ভব, তার বাস্তবসম্মত লক্ষ্য নির্ধারণ করা এবং কোচকে সেই লক্ষ্য অনুযায়ী মূল্যায়ন করা।

টিটুর দলও হারাল মূল পর্বে ওঠার সুযোগ
সিনিয়র দলের ব্যর্থতার পাশাপাশি অনূর্ধ্ব-১৭ নারী দলের ফলও উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ নারী এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সামনে ছিল উজবেকিস্তান ও ফিলিপাইন। টুর্নামেন্টের আগে দলটি জর্ডানে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। কোচ টিটু তখন মূল পর্বে ওঠার লক্ষ্য জানিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, খেলোয়াড়েরা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

বাংলাদেশ বাছাইপর্বে উজবেকিস্তানকে ২-১ গোলে হারিয়ে সম্ভাবনা জিইয়ে রাখে। কিন্তু ফিলিপাইনের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে ৩-০ গোলে হেরে যায় দলটি। ম্যাচের ৭৩ মিনিট পর্যন্ত বাংলাদেশ গোল হজম করেনি। শেষদিকে ৭৩, ৯০ ও ৯১ মিনিটে তিনটি গোল খেয়ে হারের মুখ দেখে তারা। এই পরাজয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান হারায় বাংলাদেশ, আর ফিলিপাইন নিশ্চিত করে পরের বছরের চীনে অনুষ্ঠিতব্য মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা। 

এই ফলকে শুধু শেষ মুহূর্তে গোল হজমের দুর্ভাগ্য বলে ব্যাখ্যা করলে পুরো চিত্র ধরা পড়বে না। ম্যাচের শেষ ভাগে মনোযোগ ধরে রাখা, রক্ষণে সমন্বয়, খেলোয়াড় পরিবর্তনের সময় ও কৌশল এবং চাপের মুখে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ—এসব বিষয় বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। তবে তিনটি গোলই শেষদিকে হওয়ায় খেলোয়াড়দের মানসিক প্রস্তুতি ও ম্যাচ পরিচালনার বিষয়টি বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা দরকার।

টিটুর ক্ষেত্রে প্রশ্নটি আরও বিস্তৃত। তিনি বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। কোচিং কোর্স পরিচালনা, প্রশিক্ষক তৈরি এবং জাতীয় দলগুলোর দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় তাঁর ভূমিকা থাকার কথা। একই সঙ্গে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করলে দুই দায়িত্বের মধ্যে সময় ও মনোযোগের ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হচ্ছে, সেটিও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। একটি বয়সভিত্তিক দলকে মূল পর্বে তুলতে না পারা মানেই কোচ অযোগ্য—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়; কিন্তু ফল, প্রস্তুতি ও কৌশলের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন জরুরি।

জবাবদিহির আওতায় কে
বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ বাটলারের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করে জানিয়েছেন, এ নিয়ে তাঁর বক্তব্য সভাপতিকে জানিয়েছেন; সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সভাপতির। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালও বলেছেন, ফেডারেশনের সবাই জবাবদিহির আওতায় এবং কাউকে এর ঊর্ধ্বে রাখা হবে না। এই বক্তব্যের বাস্তব প্রয়োগ এখন গুরুত্বপূর্ণ।

কোচের চুক্তি নবায়ন হবে কি না, সেটি অবশ্যই ফেডারেশনের সিদ্ধান্ত। কিন্তু সিদ্ধান্তটি যেন কেবল সাম্প্রতিক জয়-পরাজয় কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে না হয়। বাটলারের অধীনে সাফ শিরোপা ও এশিয়ান কাপের মূল পর্বে ওঠার সাফল্য যেমন মূল্যায়নে থাকতে হবে, তেমনি পরবর্তী সময়ে বড় প্রতিযোগিতায় দলের পারফরম্যান্স, দল নির্বাচনের যুক্তি, খেলোয়াড়দের উন্নতি এবং ব্যর্থতার কারণও বিবেচনায় নিতে হবে।

একই মানদণ্ড টিটুর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বয়সভিত্তিক দলের লক্ষ্য কী ছিল, প্রস্তুতির সময় কোন ঘাটতি ধরা পড়েছিল, প্রতিপক্ষ বিশ্লেষণ কতটা কার্যকর হয়েছিল এবং ভবিষ্যৎ খেলোয়াড় তৈরিতে দলটির ভূমিকা কী—এসব বিষয়ে লিখিত মূল্যায়ন ছাড়া শুধু কোচ পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত উন্নতি আসবে না।

পরিকল্পনা ছাড়া কোচ বদলে লাভ কী
বাংলাদেশ নারী ফুটবলের সামনে এখন দুটি কাজ—তাৎক্ষণিক ব্যর্থতার জবাব খোঁজা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের পরিকল্পনা তৈরি। প্রথমটির জন্য প্রয়োজন দুই দলের খেলার ভিডিও বিশ্লেষণ, গোল হজমের ধরন, রক্ষণভাগের ভুল, খেলোয়াড় নির্বাচন ও পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এবং প্রস্তুতি ম্যাচের কার্যকারিতা নিয়ে নিরপেক্ষ প্রতিবেদন। দ্বিতীয়টির জন্য দরকার নিয়মিত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ঘরোয়া লিগ, বয়সভিত্তিক দলগুলোর ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ, দক্ষ কোচ তৈরি, ফিটনেস ও চিকিৎসা সহায়তা এবং জাতীয় দলের সঙ্গে বয়সভিত্তিক দলের খেলার ধরনে সমন্বয়।

সিনিয়র দলের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে হবে। তরুণদের সুযোগ দেওয়ার নামে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের ভারসাম্য নষ্ট করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি অভিজ্ঞদের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতাও ভবিষ্যতের সমাধান নয়। অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ক্ষেত্রে শুধু বাছাইপর্বের আগে কয়েকটি প্রস্তুতি ম্যাচ নয়, বছরজুড়ে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে হবে।

কোচের মূল্যায়নে ফলাফলের পাশাপাশি নির্ধারিত লক্ষ্য, খেলোয়াড়দের অগ্রগতি, কৌশলগত উন্নতি এবং ফেডারেশনের দেওয়া সুযোগ-সুবিধার ব্যবহার বিবেচনায় নেওয়া উচিত। একইভাবে ফেডারেশনকেও ব্যাখ্যা করতে হবে—কেন প্রস্তুতির পরও কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি এবং পরবর্তী চক্রে কোন পরিবর্তন আনা হবে।

বাংলাদেশ নারী ফুটবল একসময় সাফল্য দিয়ে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছিল। এখন সেই সম্ভাবনাকে টেকসই করার পরীক্ষা। বাটলার ও টিটুর ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাই প্রয়োজন তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন। কোচ থাকবেন কি যাবেন, সেটি এক সিদ্ধান্ত; কিন্তু নারী ফুটবলের ব্যর্থতার কারণ চিহ্নিত করে দায় নির্ধারণ ও উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি না হলে একই প্রশ্ন আবারও ফিরে আসবে—পরিকল্পনা কোথায়, জবাবদিহি করবে কে?

১

ভয়াবহ আগুনের পর টঙ্গীর সেই ওষুধ কারখানার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

২

সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটি গঠন স্থগিত

৩

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ: তিন আসামি রিমান্ডে

৪

খালেদা জিয়া হ্যান্ডবলে ফাইনালে চোখ আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের

৫

ইরান যুদ্ধ ‘খুব দ্রুত’ শেষ হবে, তেলের দাম হু হু করে কমবে-দাবি ট্রাম্পের

৬

‘মাদার অব অল বম্বস’ দিয়ে ইরানে হামলার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

৭

ধারাবাহিক ব্যর্থ বাটলার-টিটু, জবাবদিহি করবে কে

৮

রাহুল গান্ধী ভারতে ‘বাংলাদেশের মত নৈরাজ্য’ চাইছেন: বিজেপি

৯

মেসির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ উরুগুয়ে ও কোস্টারিকা?

১০

বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস ও অদৃশ্য শ্রমের গল্প

১১

আবাহনীর পর ফিফার নিষেধাজ্ঞায় আরামবাগ

১২

সাফে খেলার ছুটি পেয়েছেন রোনান সুলিভান, বাড়ছে বাংলাদেশের আক্রমণভাগের শক্তি

১৩

বৈষম্য ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে বদলগাছীতে নবাগত ওসির সভা ছাড়লেন সাংবাদিকরা

১৪

নরেন্দ্র মোদি স্বৈরাচারে পরিণত হয়েছেন, জরুরি অবস্থা জারির মতো সাহস নেই: দীপকে

১৫

মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু শুরু, কক্সবাজারে ৩২৪ মণ্ডপে আয়োজন

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত