দেশের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ও বিকাশে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সাংস্কৃতিক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তিনি বলেন, কক্সবাজারকে পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং জেলার সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মানোন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলার সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মানোন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসারে আর্থিক সহায়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলা শিল্পকলা একাডেমি, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাবলিক লাইব্রেরির উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন সম্ভাবনার পাশাপাশি এখানকার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে হবে। পর্যটকদের কাছে কক্সবাজারকে আকর্ষণীয় করে তোলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ ঘটাতে পারলে এ অঞ্চল একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে। এ লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনা ও উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
সভায় কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বর্তমান পরিস্থিতি, স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সমস্যা, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও প্রস্তাব তুলে ধরেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান, সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মং ছেন লা, সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাবেক পরিচালক মং এ খিন মংমং এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জেলা কালচারাল অফিসার সৈয়দ মুহাম্মদ আয়াজ মাবুদসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
মতবিনিময় সভায় জেলার সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করা, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের সহায়তা এবং সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে কক্সবাজারের সাংস্কৃতিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।