গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কেন তীব্র, দায় কার? বিএনপি সরকারের সামনে বড় প্রশ্ন

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০৮
 ছবি:

বাংলাদেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করেছে। গ্রাম থেকে শহর—ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে গ্যাসের সরবরাহ সংকটে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন, কৃষি ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ছয় মাসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে এ সংকট নিয়ে সরকারের বক্তব্য ও বিশ্লেষকদের মূল্যায়নে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। সরকার মূলত অতীতের সরকারের নীতি, আমদানি-নির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাকে সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরছে। অন্যদিকে জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলছেন, অতীতের নীতির পাশাপাশি বর্তমান সরকারের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাও সংকটকে আরও তীব্র করেছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলেও দেশে লোডশেডিং সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। চলতি বছরের ১০ আগস্ট সর্বোচ্চ প্রায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল। বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতির কারণে শিল্প উৎপাদনেও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—একদিকে জ্বালানি সরবরাহের সংকট, অন্যদিকে বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার যথাযথ ব্যবস্থাপনা করতে না পারা।

তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সাবেক সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ মনে করেন, ছয় মাস কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট সময় নয়। তবে সংকট মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিস্থিতির গতিমুখ পরিবর্তনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি। সংকটের প্রকৃত কারণ শনাক্ত করে তা থেকে বের হওয়ার সুস্পষ্ট পথনকশাও এখনো দৃশ্যমান নয়। বরং দেশি-বিদেশি কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ব্যবসা সম্প্রসারণের বিষয়ে সরকারের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বি ডি রহমতউল্লাহও তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, যেকোনো বড় সংকট মোকাবিলায় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি—তিন ধরনের কর্মসূচি থাকা প্রয়োজন। সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বললেও তাৎক্ষণিক বা ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ কী হবে, সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৩৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। এই সক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্তমান সংকট অনেকটা সহনীয় করা সম্ভব।

সরকার কী উদ্যোগ নিয়েছে

সরকার অবশ্য বলছে, সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর গ্যাস অনুসন্ধান ও দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সমুদ্র এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধান, নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন এবং দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। দেশীয় উৎস থেকে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও পুনঃখননের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রেও বড় লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে বাজেটে শুল্কমুক্ত সুবিধার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজেটের ওই সুবিধা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনার একটি রূপরেখা সংসদে প্রধানমন্ত্রী উপস্থাপন করবেন বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কেন এত তীব্র সংকট

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সংকটের পেছনে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ—দুই ধরনের কারণ রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ও দাম উভয় ক্ষেত্রেই চাপ তৈরি হয়েছে। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় আমদানি করা গ্যাস, কয়লা, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের ওপর নির্ভরতা গত দেড় দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়লে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচও বেড়ে যায়। 

বর্তমান সরকার বলছে, অতীতের আমদানিনির্ভর জ্বালানি নীতির কারণে এখন বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে এবং জ্বালানি খাতে ভর্তুকির বোঝা বাড়ছে। ফলে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই এই দীর্ঘদিনের সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয়। সরকারের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ মনে করছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্তত দুই বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে।

অতীতের নীতির দায় কতটা

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় দ্রুত রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জরুরি আইনের মাধ্যমে দরপত্রের বাইরে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি এলএনজি, কয়লা, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হয়। তৎকালীন সরকারের এই নীতির সমালোচনা করেছিলেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ। তাঁদের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘমেয়াদি দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর পর্যাপ্ত গুরুত্ব না দিয়ে আমদানিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের মতে, বর্তমান সংকট গত দুই দশকে নেওয়া জ্বালানি নীতির একটি পরিণতি। তাঁর মতে, সংকটের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে নীতিগত পরিবর্তন না আনলে শুধু এলএনজি আমদানি বা নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দিয়ে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়। তিনি দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

বর্তমান সরকারের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন

বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতের বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু অতীতের সরকারের নীতিকে দায়ী করলেই সংকটের পূর্ণ ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে না বলে মনে করছেন কিছু বিশেষজ্ঞ। তাঁদের মতে, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বর্তমানে চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে সব কেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। একই সঙ্গে কয়লা ও তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। পিক আওয়ারে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ানো, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা কাজে লাগানো এবং দেশীয় গ্যাস ও আমদানি করা এলএনজির আরও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে লোডশেডিং কমানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ।

বিদ্যুৎ খাতের দায়িত্বশীল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের পরিবর্তন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রের যথাসময়ে রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব বিষয় নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা

গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার এলএনজি আমদানির ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে। নতুন এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। সরকারের যুক্তি, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সময় লাগবে। সেই সময় পর্যন্ত শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাসের চাহিদা পূরণে এলএনজি আমদানি বাড়ানো প্রয়োজন। তবে এ নীতির বিরোধিতা করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম অস্থিতিশীল হওয়ায় অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার ওপর আরও চাপ তৈরি করবে। ফলে স্বল্পমেয়াদে সংকট সামাল দেওয়া গেলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি টেকসই সমাধান হবে না।

সরকারের বক্তব্য

সরকার অবশ্য বর্তমান সংকটের দায় পুরোপুরি নিজের ওপর নিতে রাজি নয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে বলা হয়েছে, বহু বছরের জমে থাকা সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি মেরামত করা হলেও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে গ্যাসের কার্গো সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, জনগণের ভোগান্তির বিষয়ে সরকার সহানুভূতিশীল। তবে বর্তমান সংকট বহু বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যা এবং আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিও এর বড় কারণ।

ব্যবস্থাপনায় কোনো দুর্বলতা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ব্যবস্থাপনায় কিছু সমস্যা হয়ে থাকতে পারে এবং সরকারের কিছু অদক্ষতা থাকতে পারে, সেটি উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তবে তাঁর মতে, মূল সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হলো যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে তৈরি হওয়া অস্থিরতা।

সামনে চ্যালেঞ্জ

বর্তমান সংকটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—তাৎক্ষণিকভাবে লোডশেডিং কমানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভরতা কমানো। বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বাড়ানো, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় বাড়াতে হবে। 

অন্যদিকে সরকারের সামনে রয়েছে জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ এবং ভর্তুকির বোঝা সামলানোর চ্যালেঞ্জ। ফলে বর্তমান সরকার অতীতের নীতির দায় কতটা এড়াতে পারবে এবং একই সঙ্গে বর্তমান ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা কত দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারবে—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। কারণ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান না হলে এর প্রভাব শুধু সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নয়, শিল্প উৎপাদন, কর্মসংস্থান, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।
 

সূত্র: বিবিসি

জামালপুরে জেলা যুবশক্তির সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সোনারগাঁয়ে সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

নারায়ণগঞ্জে বন্দুক নিয়ে প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা, সেই দুই তরুণ গ্রেপ্তার

গাছে চড়ে বাঁচল ৮ বছরের জয়াল, অবশেষে ফিরল মায়ের কোলে

কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, আজ রাতে ১৬ গেট খোলার প্রস্তুতি

চলতি বছর হচ্ছে না বিপিএল, নতুন মডেলে ফেরানোর পরিকল্পনা

গণপতি চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

১৯৭১-এর পরাজয় স্মরণ করিয়ে পাক সেনাবাহিনীকে ফজলুর রহমানের কড়া বার্তা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বক্তব্য নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

১০

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কেন তীব্র, দায় কার? বিএনপি সরকারের সামনে বড় প্রশ্ন

১১

‘আমরা পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরও দখল করে নেব’: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী

১২

ট্রাম্পের কড়াকড়ির সুযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গবেষকদের টানছে কানাডা

১৩

৬০ পদের বিপরীতে শিক্ষক ২৮, সংকটে কুড়িগ্রামের সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজ

১৪

কওমি ছাত্ররা সরে দাঁড়ালেও শিল্পকলায় অনুষ্ঠান করতে পারছে না এনসিপি

১৫

ময়মনসিংহে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৬১ বছরের ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত