বিনোদন

অন্য নারীতে আসক্ত প্রেমিক, তিক্ত অভিজ্ঞতা জানালেন গায়ত্রী

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০
 ছবি:

প্রেমের সম্পর্কে ভালোবাসা, আস্থা ও নিরাপত্তা প্রত্যাশা করেছিলেন অভিনেত্রী গায়ত্রী সুরেশ। কিন্তু সম্পর্ক শুরুর পরপরই সঙ্গীর এমন এক প্রশ্নে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েও পরে সেটি আবার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক তার জন্য হয়ে ওঠে এক তিক্ত অভিজ্ঞতা।

‘বিগ বস মালয়ালম ৮’-এর প্রতিযোগী গায়ত্রী সম্প্রতি অনুষ্ঠানের একটি টাস্কে নিজের জীবনের সেই অধ্যায়ের কথা প্রকাশ্যে আনেন। শো থেকে আকস্মিকভাবে তার বিদায় দর্শকদের বিস্মিত করলেও, তার কয়েক দিন আগে ওই টাস্কে ব্যক্তিগত জীবনের কষ্টের কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি। টাস্কে গায়ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, জীবনে যে মানুষটি তাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছেন, তার সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেলে কী বলবেন। জবাবে ২০২১ সালের একটি সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন তিনি। গায়ত্রী জানান, ওই সময় তিনি একটি ‘সিচুয়েশনশিপে’ ছিলেন। শুরুতে সেটিকে প্রেমের সম্পর্ক মনে হলেও পরে তার মনে হয়েছে, সেটি আসলে ছিল অনিশ্চিত এক সম্পর্ক।

সম্পর্কের শুরুতেই সঙ্গীর আচরণে কিছু বিষয় তার কাছে অস্বস্তিকর মনে হয়েছিল। এমনকি কয়েক দিনের মধ্যেই তাকে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বলে মনে হয়েছিল। তবে কাছের একজন মানুষকে নিজেকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত—এই ভাবনা থেকে সম্পর্কটি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

গায়ত্রী বলেন, সম্পর্ক শুরুর মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় ওই ব্যক্তি তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তোমার এইডস নেই তো?’ প্রশ্নটি তাকে গভীরভাবে আঘাত করে। তখনই তিনি সম্পর্কটি শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। পরে অবশ্য নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে সংশয়ে পড়ে আবার সম্পর্কটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তও তাকে স্বস্তি দেয়নি। গায়ত্রীর ভাষ্য, তার সঙ্গে সম্পর্কে থাকা অবস্থাতেও ওই ব্যক্তি অন্য এক নারীর প্রতি আসক্ত ছিলেন।

নিজের অভিজ্ঞতাকে এখন ‘টক্সিক সিচুয়েশনশিপ’ হিসেবে দেখেন গায়ত্রী। তার এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

গায়ত্রীর এই বক্তব্যে উঠে এসেছে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অস্বস্তি বা সতর্কসংকেতকে উপেক্ষা করার পরিণতির কথাও। তবে তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি।

১

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই দিল্লিতে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক

২

তিন ড্রয়ের দিনে মাহফিজুলের সেঞ্চুরি, আকবরের লড়াই, নাঈমের ফাইফার

৩

কাশ্মীর থেকে ১৫০ ‘অবৈধ বাংলাদেশিকে’ ফেরত পাঠানোর খবর, ‘সতর্ক’ বিজিবি

৪

উরুগুয়ের কাছে ৬ গোলহজম ভারতের, প্রাপ্তি গুটিকয়েক আক্রমণ ও অনিরুদ্ধের গোল

৫

দিল্লিতে প্রায় ৮ ঘণ্টার ধর্নার পর আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ ‘ইন্ডিয়া’

৬

নারায়ণগঞ্জ আদালতে বিএনপিপন্থী দুই পক্ষের আইনজীবীদের হাতাহাতি, পিপি আহত

৭

অন্য নারীতে আসক্ত প্রেমিক, তিক্ত অভিজ্ঞতা জানালেন গায়ত্রী

৮

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, যুবককে বিবস্ত্র করে ঘোরালো এলাকাবাসী

৯

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে আইনি জটিলতা কাটল

১০

শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল ফ্রান্স, রাস্তায় লাখো মানুষ

১১

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের সব ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ

১২

সংবিধানে সুরক্ষা পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা, ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক-গণভোট

১৩

আইএমএফের সঙ্গে চুক্তি: অর্থমন্ত্রীর কথায় ‘ধোঁয়াশা’, বাস্তবতা কী?

১৪

দিল্লিতে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক, পরে মুক্তি

১৫

খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত