একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধ

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদ আপিলের অনুমতি পাবেন কি না, আদেশ ৭ সেপ্টেম্বর

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৯
 ছবি:

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদ আপিলের অনুমতি পাবেন কি না, সে বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সোমবার বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. হাবিবুল গনির সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ রয়েছে। তবে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার সময় আবুল কালাম আযাদ বিদেশে পলাতক থাকায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি আপিল করতে পারেননি।

ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায়

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় দেওয়া হয় আবুল কালাম আযাদের মামলায়। ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি দেওয়া ওই রায়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, আটক, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটসহ মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে সাতটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ের পর আবুল কালাম আযাদ বিদেশে অবস্থান করায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি আপিল করার সুযোগও নেননি।

দেশে ফেরার পর দণ্ড স্থগিত

২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে ফেরেন আবুল কালাম আযাদ। এরপর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত চেয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তিনি। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর তার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। তবে একই সঙ্গে শর্ত দেওয়া হয়, তাকে আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিল করতে হবে। সরকারের ওই শর্ত অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন আবুল কালাম আযাদ। এরপর ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে **লিভ টু আপিল**, অর্থাৎ আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তিনি।

এখন আপিল বিভাগ ৭ সেপ্টেম্বর তার আবেদন নিয়ে আদেশ দেবেন। আদালত তাকে আপিলের অনুমতি দিলে দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ওই মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে বিচারিক পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হবে। আর অনুমতি না মিললে ট্রাইব্যুনালের রায় বহাল থাকার পথই কার্যত শক্তিশালী হবে।

কুড়িগ্রামে তিস্তার ক্রসবাঁধে ৪০ মিটার ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের ২০ হাজার মানুষ

নতুন পে স্কেলে বেতন পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও

রংপুরের চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন, মূল কারণ মাদক: এমপি ফেন্সি

করুণা করে হলেও চিঠি দিও

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কক্সবাজারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নীহা পাকিস্তানে নাকি নেপালে—সঙ্গীকে নিয়ে রহস্য

বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জনগণের আস্থা ধরে রাখা: রিজভী

দেব-শুভশ্রীর বন্ধুত্ব এখনও অটুট, পুরোনো সম্পর্কের নানা কথা ফাঁস

ইমরানকে কি সত্যিই ভয় পাচ্ছে পিসিবি

১০

বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক বিসিবি পরিচালকসহ তিনজন সাময়িক নিষিদ্ধ

১১

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে আমানত ফেরতের আবেদন শুরু, শাখায় গ্রাহকদের ভিড়

১২

পার্বত্য অঞ্চলের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে এডিবির ২১৪৮ কোটি টাকা ঋণ

১৩

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগদানের প্রস্তাব এলে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত: শামা ওবায়েদ

১৪

ইন্টার মিয়ামির হয়ে ঢাকা ও কলকাতায় খেলতে পারেন মেসি

১৫

মেসির পর আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি কার গায়ে?

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত