সম্প্রতি রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে বিএনপির স্থানীয় দুই নেতার অনুসারীরা নেতৃত্ব দিয়েছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বুধবার (০৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘স্টুডিওতে হামলায় দুটি বাহিনী ছিল। এর একটি ভাষানটেক বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহিম ওরফে ‘কিলার ইব্রাহিমের’ এবং অন্যটি বিএনপির ৯১ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন সভাপতি মফিজুর রহমান মামুনের। হামলায় ইব্রাহিমের লোকজনের সংখ্যা বেশি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।’
তিনি বলেন, ‘হামলার পর প্রথম আলোর প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে বিএনপি মামুনকে বহিষ্কার করেছে। তবে হামলার সময় তিনি বিএনপির সভাপতি ছিলেন। আবার ইব্রাহিম ও মামুন দুজনের বাহিনিই ‘ফোর স্টার গ্রুপের’ সঙ্গে যুক্ত বলে প্রথম আলোর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব বাহিনির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ নানা অপরাধের অভিযোগও নতুন নয়।’
সালমান মুক্তাদির বিএনপির দিকে আঙুল তোলার পর দলটির প্রতিক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই মুখপাত্র।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির এ নেতা পোস্টে আরও বলেন, ‘তারপরও সালমান যখন বিএনপির দিকে আঙুল তুলল, তখন বিএনপির রাগ দেখে মনে হলো, স্টুডিও গুড়িয়ে দেওয়ার থেকে চাঁদাবাজ বলাটাই এখানে আসল অপরাধ। আরে ভাই, যারা এলাকায় চাঁদাবাজি দখলবাজির জন্য পরিচিত, তারা হামলা করতে গেলে গায়ে তো আর ব্যাজ লাগিয়ে যাবে না যে আজ চাঁদা নিতে আসিনি, শুধু স্টুডিও গুড়িয়ে দিতে এসেছি।’
আসিফ আরও বলেন, ‘সালমান কী বলেছে, সেটা নিয়ে এত রাগ না করে বরং সহজ প্রশ্নটার জবাব দিলেই হয়। হামলার সময় বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বাহিনির লোকজন সেখানে গেল কেন? সালমান স্টুডিওতে গোলাপজল ছিটাতে?।’