যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়নে অনিয়ম-দুর্নীতি। এ ছাড়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে টেন্ডার ও কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।
বুধবার দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে টিমটিকে অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্য তিনজন হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।
দুদক সূত্র জানায়, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একটি অভিযোগ জমা পড়ার পর সেটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অনুসন্ধান শুরু করেছে সংস্থাটি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হন আসিফ মাহমুদ।
শুরুতে তিনি শ্রম মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর তিনি স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়—দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন আসিফ মাহমুদ। একই বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন। এরপর থেকে তিনি দলটির মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছেন।
শু/আজা