যুক্তরাষ্ট্রকে ‘শয়তান’ এবং ইসরায়েলকে ‘ছোট শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। ইরানে বিয়ে ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ঘালিবাফ এসব মন্তব্য করেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ইরানের হরমুজগান প্রদেশের সিরিক এলাকার কুহেশতাক শহরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে চারজন নিহত এবং ৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের একটি অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘালিবাফ ইরানের মিনাবের একটি মেয়েদের প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনাও তুলে ধরেন। তার দাবি, ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের ওই স্কুলে মার্কিন হামলায় ১৭০ জনের বেশি মেয়ে শিশু নিহত হয়। একই সময়ে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্সে হামলায় কয়েক ডজন অ্যাথলেট নিহত হন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এসব ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘শয়তানি আচরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ঘালিবাফ বলেন, কোনো শক্তি যদি শয়তানের মতো আচরণ করে, শয়তানের মতো লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে এবং শয়তানের মতো মানুষ হত্যা করে, তাহলে তাকে শয়তানই বলতে হয়।
ইসরায়েলের প্রসঙ্গ টেনে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি ‘ছোট শয়তানকে’ সুরক্ষা দিচ্ছে, যে নিজেও একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রই হলো ‘সবচেয়ে বড় শয়তান’।
এদিকে, গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানে এক ডজনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। হামলার পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
শু/আজা