শুরু থেকেই রাত্রিযাপনের অনুমতি; পরিবেশগত অবকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ

অবশেষে ৭০০ পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিন যাচ্ছে জাহাজ

এম জসিম উদ্দিন, কক্সবাজার
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১১
 ছবি:

দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর অবশেষে পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিন যাচ্ছে জাহাজ। বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট থেকে ৭০০ যাত্রী নিয়ে দ্বীপটির উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এমভি বার আউলিয়া। এর মধ্য দিয়ে চলতি পর্যটন মৌসুমে প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে কক্সবাজার-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালে এমভি বার আউলিয়া সেন্ট মার্টিন যাবে। একটি জাহাজ যাবে। যেহেতু ৭০০ জন, একটি ছাড়ব আমরা।’ কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আ. মান্নান বলেন, ‘হ্যাঁ, তারা কিছু টিকিট বিক্রি করছে। একটা জাহাজ যাবে। তাদেরকে আমরা অনুমোদন দেয়েছি।’

এর আগে বুধবার রাত ৮টার দিকে জেলা প্রশাসনের পর্যটন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার কোনো জাহাজ ছাড়বে না। পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য বৃহস্পতিবার বৈঠক করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। একই সময়ে স্কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুরও জানিয়েছিলেন, জাহাজ চলাচলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনিও জানান, ওই যাত্রীদের নিয়ে এমভি বার আউলিয়া বৃহস্পতিবার চলাচল করবে।

সেন্ট মার্টিন রুটে চলাচলের জন্য এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বার আউলিয়া ও এমভি টেকনাফ- এই তিনটি জাহাজের অনুকূলে সাময়িক ভয়েজ লাইসেন্স দিয়েছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জাহাজগুলোর রুট পারমিট ও সময়সূচিও অনুমোদন করে। তিনটি জাহাজের মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। অনুমোদিত সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়ার কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট ছাড়ার সময় সকাল সাড়ে ৭টা। সেন্ট মার্টিন থেকে ফেরার সময় দুপুর আড়াইটা। সেন্ট মার্টিনে পর্যটন মৌসুম ১ নভেম্বর শুরু হয়েছে। চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। এ মৌসুমে দ্বীপে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণের শর্তে পর্যটকদের কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করতে হবে। এবার মৌসুমের সবসময় দ্বীপে রাত্রিযাপনের সুযোগ থাকবে।

তবে পর্যটন চালুর সঙ্গে দ্বীপে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানো এবং শুরু থেকেই রাত্রিযাপনের অনুমতি দেওয়ায় নতুন করে পরিবেশগত ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের উদ্বেগ, পর্যটকের চাপ বাড়লেও দ্বীপের সুপেয় পানির উৎস, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পয়োনিষ্কাশনের সক্ষমতা সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে প্রবালপ্রাচীর, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও দ্বীপের ভঙ্গুর প্রতিবেশব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ পড়তে পারে।

বুধবার রাতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, বৃহস্পতিবার সকালে এমভি বার আউলিয়া ৭০০ পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিন যাবে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আ. মান্নানও জাহাজ চলাচলের অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বুধবার রাত ৮টার দিকে জেলা প্রশাসনের পর্যটন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান সায়েম জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার কোনো জাহাজ ছাড়বে না। পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য বৃহস্পতিবার বৈঠকের কথা বলেছিলেন তিনি। একই সময়ে স্কোয়াবের সাধারণ সম্পাদকও জাহাজ চলাচলের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছিলেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বৈঠক শেষে জাহাজ চলাচলের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সেন্ট মার্টিন রুটে চলাচলের জন্য এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বার আউলিয়া ও এমভি টেকনাফ—এই তিনটি জাহাজের অনুকূলে সাময়িক ভয়েজ লাইসেন্স দিয়েছে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। ৪ নভেম্বর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জাহাজগুলোর রুট পারমিট ও সময়সূচিও অনুমোদন করে। তিনটি জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। অনুমোদিত সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল সাড়ে ৭টায় কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া ঘাট ছাড়বে এবং সেন্ট মার্টিন থেকে ফিরবে দুপুর আড়াইটায়।

গত ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটন মৌসুম নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। আগের দুই বছর দৈনিক পর্যটকের সীমা ছিল ২ হাজার। অর্থাৎ এবার অনুমোদিত পর্যটকসংখ্যা বেড়েছে ৭৫ শতাংশ। পাশাপাশি মৌসুমের শুরু থেকেই দ্বীপে রাত্রিযাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণের শর্তে পর্যটকদের কিউআর কোডযুক্ত ডিজিটাল ট্রাভেল পাস নিতে হবে। দ্বীপে প্রবেশের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

দীর্ঘ নয় মাস পর্যটক চলাচল বন্ধ থাকার পর দ্বীপে আবার ব্যবসায়িক কর্মচাঞ্চল্য ফিরেছে। স্থানীয় রিসোর্ট, কটেজ ও রেস্তোরাঁগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের সংস্কার ও প্রস্তুতি। দোকানপাটেও নতুন করে পণ্য তোলা হচ্ছে। পর্যটন বন্ধ থাকায় হোটেল, রেস্তোরাঁ, দোকান, নৌযানসহ পর্যটননির্ভর পেশার মানুষের আয় কমে গিয়েছিল। নতুন মৌসুমে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার আশা করছেন তাঁরা।

সেন্ট মার্টিনের কটেজ মালিক নুরুল আবছার বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অধিকাংশ কটেজের মালিক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক কটেজ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেগুলো সংস্কারে বাড়তি খরচ হয়েছে। দ্বীপে বিদ্যুৎ ও সুপেয় পানির সংকটের কারণে জেনারেটরের ওপর নির্ভর করতে হয়; জ্বালানির দামও বেশি। তারপরও পর্যটক আসা শুরু হলে দ্বীপের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আবার সচল হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।

কিন্তু পর্যটননির্ভর অর্থনীতি সচল করার এই উদ্যোগের সঙ্গে পরিবেশগত প্রস্তুতির সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, দ্বীপের ধারণক্ষমতা বিবেচনা না করে পর্যটক বাড়ানো হলে বর্জ্য, পানির সংকট ও পয়োনিষ্কাশন সমস্যা আরও প্রকট হতে পারে। পর্যটকের সঙ্গে প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের প্যাকেট ও অন্যান্য বর্জ্য বাড়বে। সেগুলো যথাযথভাবে সংগ্রহ ও অপসারণ করা না গেলে সৈকত ও সমুদ্র দূষিত হবে। হোটেল-রেস্তোরাঁর অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য সমুদ্রে মিশলেও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হতে পারে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ এবং পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। পর্যটকদের অসচেতন আচরণে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যটক চলাচল সীমিত থাকায় দ্বীপের পরিবেশ কিছুটা পুনরুদ্ধারের সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু পর্যটকের চাপ সামলানোর মতো পরিবেশগত অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না করে পর্যটক বাড়ানো এবং রাত্রিযাপনের সুযোগ সম্প্রসারণ করা ঠিক হয়নি। এতে পরিবেশের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়কারী মুনিরা পারভীন রুবা বলেন, পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানোর আগে দ্বীপের সুপেয় পানির ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়োনিষ্কাশন ও পরিবেশগত ধারণক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি। পর্যটকের চাপ বাড়লে প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্যের পাশাপাশি পানির চাহিদাও বাড়বে। অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য সমুদ্রে মিশলে প্রবালপ্রাচীর ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হতে পারে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে বেলা দ্বীপের অবৈধ হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বাণিজ্যিক স্থাপনা অপসারণ এবং প্রবালসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার দাবিতে জনস্বার্থে মামলা করে। ২০১১ সালে হাইকোর্ট এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। কিন্তু এরপরও অপরিকল্পিত স্থাপনা ও পরিবেশবিধি লঙ্ঘনের ঝুঁকি পুরোপুরি দূর হয়নি। আদালতের নির্দেশনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় দ্বীপের পরিবেশ সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। মুনিরা পারভীন রুবা আরও বলেন, পর্যটন বন্ধ রাখা কিংবা স্থানীয় মানুষের জীবিকা উপেক্ষা করা স্থায়ী সমাধান নয়। স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে দ্বীপের পরিবেশগত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নিয়ন্ত্রিত ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

দ্বীপের পরিবেশগত সংকটের চিত্র বিভিন্ন গবেষণাতেও উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত এক গবেষণায় উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দ্বীপে স্থাপনা ও উন্নয়নকাজে ব্যবহৃত এলাকার পরিমাণ ২ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়েছে। একই গবেষণায় ২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে প্রবালপ্রাচীরের প্রায় ২৫ শতাংশ অবক্ষয়ের তথ্য পাওয়া যায়।

পর্যটন নিষেধাজ্ঞার সময়ে সামুদ্রিক পরিবেশে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। গত ২৯ মে প্রকাশিত আরেক গবেষণায় ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দ্বীপের ১০৭টি স্থানের পানির গুণগত মান বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত পর্যটন নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সমুদ্রের পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা বেড়েছিল। নিষেধাজ্ঞার আগে প্রতি লিটার পানিতে অক্সিজেনের মাত্রা ছিল ৬ থেকে ৬ দশমিক ৬ মিলিগ্রাম; নিষেধাজ্ঞার সময়ে তা বেড়ে ৭ দশমিক ১ থেকে ৭ দশমিক ৪ মিলিগ্রামে পৌঁছায়। তবে পানির তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, লবণাক্ততা ও নাফ নদীর পানির প্রবাহের মতো প্রাকৃতিক কারণও পানির গুণগত মানে প্রভাব ফেলতে পারে বলে গবেষণায় সতর্ক করা হয়েছে। তাই এই পরিবর্তনের একমাত্র কারণ হিসেবে পর্যটন নিষেধাজ্ঞাকে চিহ্নিত করা হয়নি।

পর্যটকদের জন্য একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সৈকতে উচ্চ শব্দে গানবাজনা, রাতে পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন আলো জ্বালানো এবং উন্মুক্ত স্থানে বারবিকিউ আয়োজনেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রবাল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ছেঁড়াদ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত থাকবে। তবে এসব বিধিনিষেধ কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, পর্যটক বৃদ্ধির বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় পর্যায়ে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশনের প্রস্তুতি রয়েছে। এ বিষয়ে দুটি বেসরকারি সংস্থা কাজ করছে। দ্বীপের পরিবেশের ক্ষতির আশঙ্কার বিষয়েও প্রশাসন সজাগ রয়েছে।

পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও সেন্ট মার্টিনের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ—স্থানীয় মানুষের জীবিকা সচল রাখার পাশাপাশি দ্বীপের ভঙ্গুর পরিবেশ রক্ষা করা। পর্যটকের সংখ্যা বাড়ানো ও রাত্রিযাপনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবে কতটা পরিবেশসম্মতভাবে কার্যকর করা যায়, তার ওপরই নির্ভর করবে দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপটির ভবিষ্যৎ।

১

সংশোধন হচ্ছে এমপিও নীতিমালা, আসছে পাঁচ পরিবর্তন

২

হামের টিকা কেনায় বিলম্ব-ব্যর্থতা: অন্তর্বর্তী সরকারের দায় খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিশন

৩

অবশেষে ৭০০ পর্যটক নিয়ে সেন্ট মার্টিন যাচ্ছে জাহাজ

৪

কংগ্রেসের দুই কক্ষ ডেমোক্র্যাটদের দখলে, চাপে ট্রাম্পের নীতি

৫

মাইক্রোপ্লাস্টিক, ভারী ধাতু ও অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি; বাজারের অর্ধেক মাছের নমুনায় সালমোনেলা

৬

ইকবাল সোবহানকে গ্রেপ্তার দেখাল ডিবি, মুচলেকায় ছাড়া পাচ্ছেন রাজীব ঘোষ

৭

২৩ বছর পর শিরোপার স্বপ্ন, শুরুতেই ভুটান পরীক্ষা

৮

ভালো ফুটবল খেলাই ভারতের লক্ষ্য

৯

বিগব্যাশে মুস্তাফিজকে ঘিরে বিশেষ আয়োজন

১০

সিলেটে বাংলাদেশকে ধবলধোলাইয়ের স্বপ্ন স্যামির

১১

শ্রমিক আন্দোলনের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা: আ.লীগের ২১ নেতাকর্মীসহ দেড় হাজার আসামি

১২

সংবাদ প্রকাশের জেরে গ্রেফতারে আদালতের অনুমতি নিতে হবে, মন্ত্রিসভার কমিটিতে ঐকমত্য

১৩

পোশাককর্মী তৌফিকের মৃত্যুর দায় বিএনপি এড়াতে পারে না: বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী

১৪

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক হামলা চালালে ভারত ও পাকিস্তানের কী হবে?

১৫

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন মঈন খান

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত