ট্রাম্পের জনসমর্থনে ভাটা, জীবনযাত্রার ব্যয় ও অভিবাসননীতি নিয়ে অসন্তোষে ডেমোক্র্যাটদের সামনে সুযোগ
কয়েক মাসের প্রচার-প্রচারণা, বিপুল অর্থ ব্যয় এবং নানা রাজনৈতিক মেরুকরণের পর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচনে শুধু প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা-ই নির্ধারিত হবে না; প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের রাজনৈতিক শক্তি ও নীতিনির্ধারণের গতিপথও অনেকাংশে নির্ভর করবে ভোটারদের রায়ের ওপর।
সর্বশেষ জনমত জরিপগুলোতে ডেমোক্র্যাটদের জন্য তুলনামূলক ইতিবাচক আভাস মিলছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জরিপ সব সময় ভোটের ফলের নির্ভুল পূর্বাভাস দিতে পারে না। ভোটার উপস্থিতি, শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোর ফল এবং রাজ্যভিত্তিক রাজনৈতিক বাস্তবতা—সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত চিত্র বদলে যেতে পারে।
এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২১৮টি আসন। অন্যদিকে ১০০ সদস্যের সিনেটে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে বা অর্জন করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার হিসাব নির্ভর করছে নির্বাচনের আওতাধীন আসন, বর্তমান দলীয় অবস্থান এবং ভাইস প্রেসিডেন্টের ভোটের ওপর। এই প্রেক্ষাপটে ফলাফলের তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট সামনে আসছে।
ডেমোক্র্যাটদের বড় নির্বাচনী জোয়ার
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দল চাপে থাকে। প্রেসিডেন্টের মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে ভোটাররা সরকারের কাজের মূল্যায়ন করেন এবং অসন্তোষ থাকলে বিরোধী দলকে সমর্থন দিয়ে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দেন। অতীতের বহু মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই প্রবণতা দেখা গেছে।
এবারও ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পেছনে কয়েকটি বিষয় কাজ করছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনসমর্থনে নিম্নমুখী প্রবণতা, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, অভিবাসন বিষয়ে কঠোর নীতি এবং ডেটা সেন্টার নির্মাণ নিয়ে তাঁর প্রশাসনের অবস্থান—এসব বিষয় ভোটারদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে বলে নির্বাচনী বিশ্লেষণে উঠে আসছে।
এই অসন্তোষ যদি ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হয়, তাহলে ডেমোক্র্যাটরা শুধু হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আসনগুলোতেই নয়, রিপাবলিকানদের তুলনামূলক নিরাপদ আসনেও জয় পেতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রতিনিধি পরিষদে ২১৮ আসনের প্রয়োজনীয় সীমা ছাড়িয়ে তারা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে।
ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় সাফল্যের আরেকটি ক্ষেত্র হতে পারে সিনেট। তবে সেখানে নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে শুধু সমানে-সমান লড়াইয়ের আসনগুলোতে জয় পেলেই চলবে না; ঐতিহ্যগতভাবে রিপাবলিকানদের শক্তিশালী কয়েকটি রাজ্যেও অপ্রত্যাশিত সাফল্য প্রয়োজন হবে। টেক্সাস কিংবা কানসাসের মতো রাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের জয় এ ক্ষেত্রে বড় রাজনৈতিক চমক হিসেবে বিবেচিত হবে। এসব রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকানদের প্রভাব থাকায় সেখানে ডেমোক্র্যাটদের জয় পাওয়া কঠিন।
এই দৃশ্যপট বাস্তবায়িত হলে ডেমোক্র্যাটরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে এবং এক বা দুই আসনের চেয়ে কিছুটা বেশি ব্যবধানে এগিয়ে থাকতে পারে। এতে কোনো একটি আসনের ফল নিয়ে আইনি জটিলতা বা পুনর্গণনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার সুযোগ থাকবে।
এ ধরনের ফলের পেছনে তরুণ ও হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের পক্ষে যেসব ভোটার অবস্থান নিয়েছিলেন, তাঁদের একাংশ এবার মত পরিবর্তন করতে পারেন। আবার কিছু রিপাবলিকান সমর্থক ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিতে পারেন, কিংবা ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
এমন ফল হলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য তা বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হবে। কংগ্রেসের উভয় কক্ষ বা অন্তত একটি কক্ষ ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে গেলে প্রেসিডেন্টের আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনিক নীতির বাস্তবায়নে বাধা তৈরি হতে পারে। কংগ্রেসের তদন্ত ও নজরদারির ক্ষমতাও ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়াতে পারে। ফলে প্রেসিডেন্টের মেয়াদের বাকি দুই বছর আইনসভা ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
যেসব লক্ষণ বড় জয়ের ইঙ্গিত দিতে পারে:** ফ্লোরিডায় ডেমোক্র্যাটরা নিজেদের আসন ধরে রাখতে পারলে এবং নর্থ ক্যারোলাইনা, মিশিগান, নিউইয়র্ক, ভার্জিনিয়া ও কেন্টাকিতে রিপাবলিকানদের আসন ছিনিয়ে নিতে পারলে তাদের পক্ষে বড় জয়ের সম্ভাবনা জোরালো হবে। এর সঙ্গে সাউথ ক্যারোলাইনায় সিনেট আসনে ডেমোক্র্যাটদের অপ্রত্যাশিত জয় যুক্ত হলে তা হবে আরও বড় নির্বাচনী বার্তা।
ডেমোক্র্যাটদের নামমাত্র জয়, কংগ্রেসে অচলাবস্থা
দ্বিতীয় দৃশ্যপটে জনমত জরিপ পুরোপুরি ভুল প্রমাণিত হবে না, আবার ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে বড় নির্বাচনী জোয়ারও তৈরি হবে না। প্রতিনিধি পরিষদে তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে, তবে ব্যবধান থাকবে খুবই কম। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিনিধি পরিষদে দলীয় নেতৃত্বের জন্য আইন পাস করানো কঠিন হয়ে উঠবে। কারণ অল্প ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে দলের কয়েকজন সদস্যের বিরোধিতাও গুরুত্বপূর্ণ বিল আটকে দিতে পারে। মধ্যপন্থি ও বামপন্থি ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে নীতিগত মতপার্থক্য থাকায় প্রতিটি বড় সিদ্ধান্তে দরকষাকষি করতে হবে দলের নেতৃত্বকে।
সিনেটের চিত্রও হতে পারে কাছাকাছি। ডেমোক্র্যাটরা হয়তো নর্থ ক্যারোলাইনার মতো একটি বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জয় পেতে পারে, কিন্তু রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারবে না। মেইনে রিপাবলিকান সিনেটর সুসান কলিন্সকে পরাজিত করা কঠিন হতে পারে। একইভাবে আলাস্কায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেলতোলার জয়ও নিশ্চিত নয়।
মিশিগানে ডেমোক্র্যাটদের অবস্থান ধরে রাখার প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। সেখানে বামপন্থি প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদের মতো প্রার্থীদের ঘিরে দলের অভ্যন্তরীণ অবস্থান ও ভোটারদের মনোভাব নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।
আগাম ভোটে ডেমোক্র্যাটদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেলেও নির্বাচনের মূল দিনে রিপাবলিকান ভোটাররা সমান উৎসাহে কেন্দ্রে গেলে ফলের ব্যবধান কমে আসতে পারে। ভোটার উপস্থিতির এই পার্থক্যই শেষ পর্যন্ত ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পথ আটকে দিতে পারে।
এমন ফল হলে কংগ্রেসে বিভক্ত ক্ষমতার কাঠামো তৈরি হতে পারে। প্রতিনিধি পরিষদ ডেমোক্র্যাটদের হাতে গেলেও সিনেট রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে, অথবা উভয় কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুব সামান্য ব্যবধানে নির্ধারিত হতে পারে। এর ফলে বাজেট, অভিবাসন, করনীতি, জ্বালানি ও পররাষ্ট্রনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইন প্রণয়ন কঠিন হবে।
যেসব লক্ষণ মাঝারি জয়ের ইঙ্গিত দিতে পারে:** ফ্লোরিডা যদি স্বস্তিদায়ক ব্যবধানে রিপাবলিকানদের দখলে থাকে এবং দলটি নিজেদের শক্ত ঘাঁটিগুলোতে আসন ধরে রাখতে পারে, তাহলে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে বড় নির্বাচনী জোয়ারের সম্ভাবনা কমে যাবে। অন্যদিকে ভার্জিনিয়া ও পেনসিলভানিয়ার মতো রাজ্যে প্রতিনিধি পরিষদের কিছু আসন ডেমোক্র্যাটরা পুনরুদ্ধার করতে পারলেও রিপাবলিকানদের নিরাপদ আসনগুলোতে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলে ফল হতে পারে সীমিত জয়।
রিপাবলিকানদের বড় জয়ের রাত
তৃতীয় দৃশ্যপটে জনমত জরিপের পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হতে পারে। ট্রাম্পের জনসমর্থন জরিপে যতটা দুর্বল দেখানো হচ্ছে, ভোটের মাঠে পরিস্থিতি ততটা প্রতিকূল না-ও হতে পারে। রিপাবলিকান সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি এবং শেষ মুহূর্তে স্বতন্ত্র ও হিস্পানিক ভোটারদের একটি অংশের সমর্থন দলটিকে এগিয়ে দিতে পারে।
এ ক্ষেত্রে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে থেকে যেতে পারে। টস-আপ বা অনিশ্চিত আসনগুলোর অধিকাংশে জয় পেলে ডেমোক্র্যাটদের জন্য প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। এমনকি ফল নির্ধারণের জন্য ক্যালিফোর্নিয়ার মতো বড় রাজ্যে ডাকযোগে আসা ব্যালট গণনার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ওপরও নির্ভর করতে হতে পারে।
ক্যালিফোর্নিয়ায় ডাকযোগে ভোট গণনা ও ফল চূড়ান্ত হতে সময় লাগায় প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে দেরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা যদি খুব কাছাকাছি হয়, তাহলে কয়েকটি আসনের ফল ঘোষণার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হতে পারে।
রিপাবলিকানদের সুবিধা বাড়াতে পারে টেক্সাস, ফ্লোরিডা ও নর্থ ক্যারোলাইনার মতো রাজ্যে নির্বাচনী আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রভাবও। এসব রাজ্যে নতুন সীমানা বিন্যাসের ফলে দলটির কিছু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরন বদলে যেতে পারে। তবে নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রভাব রাজ্যভেদে আলাদা; শুধু এ কারণে কোনো দলের জয় নিশ্চিত হয় না।
সিনেটেও রিপাবলিকানরা রক্ষণশীল রাজ্যগুলোতে নিজেদের আসন ধরে রাখার পাশাপাশি মিশিগানের মতো ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত রাজ্যে জয় পেতে পারে। নর্থ ক্যারোলাইনা ধরে রাখা কিংবা মিনেসোটা ও নিউ হ্যাম্পশায়ারের মতো ডেমোক্র্যাট-প্রভাবিত রাজ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কঠিন করে তোলাও তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
এমন ফল হলে ট্রাম্প দাবি করতে পারেন, ভোটাররা তাঁর নীতির প্রতি নতুন করে সমর্থন জানিয়েছেন। কংগ্রেসের উভয় কক্ষ রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে থাকলে করনীতি, অভিবাসন, জ্বালানি, সরকারি ব্যয় এবং পররাষ্ট্রনীতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে প্রশাসনের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের তদন্ত ও নজরদারির চাপ তুলনামূলক কমে আসতে পারে।
যেসব লক্ষণ রিপাবলিকানদের বড় জয়ের ইঙ্গিত দিতে পারে:** ফ্লোরিডায় সিনেটর অ্যাশলে মুডি এবং ওহাইওতে জন হাস্টেড সহজ ব্যবধানে পুনর্নির্বাচিত হলে তা রিপাবলিকানদের জন্য ইতিবাচক সংকেত হবে। পাশাপাশি পেনসিলভানিয়া ও ভার্জিনিয়ার প্রতিনিধি পরিষদের আসনগুলোতে দলটি নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারলে এবং নর্থ ক্যারোলাইনা, ওহাইও ও ফ্লোরিডায় ডেমোক্র্যাটদের দখলে থাকা আসন ছিনিয়ে নিতে পারলে উভয় কক্ষে নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার সম্ভাবনা বাড়বে।
ভোটের ফলের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার ভারসাম্য
তিনটি দৃশ্যপটের যেকোনো একটি বাস্তবায়িত হোক, এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনের গুরুত্ব শুধু কংগ্রেসের দলীয় নিয়ন্ত্রণ বদলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের ক্ষমতা আলাদা। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা বাজেট ও অর্থসংক্রান্ত বিলসহ আইন প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে সিনেটের অনুমোদন ছাড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ ও আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর করা যায় না।
ফলে এক কক্ষ ডেমোক্র্যাটদের এবং অন্য কক্ষ রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে থাকলে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিনির্ধারণে সমঝোতার প্রয়োজন বাড়বে। আবার রিপাবলিকানরা উভয় কক্ষ ধরে রাখতে পারলে প্রেসিডেন্টের আইনগত কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথ তুলনামূলক সহজ হবে। আর ডেমোক্র্যাটরা দুই কক্ষেই নিয়ন্ত্রণ পেলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য কংগ্রেসের বিরোধিতা মোকাবিলা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
শেষ পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনের ফল এবং রাজ্যভিত্তিক রাজনৈতিক বাস্তবতাই নির্ধারণ করবে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাচ্ছে। জনমত জরিপ ডেমোক্র্যাটদের জন্য সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিলেও ভোটের ফল না আসা পর্যন্ত কোনো দৃশ্যপটকেই নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।