**পুনর্বিবাহ না করার শর্ত; ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে বছরে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই**
মৃত সরকারি কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী ও বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। তবে পারিবারিক পেনশন ভোগের সময় পুনর্বিবাহ করেননি—এ মর্মে বছরে একবার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
তবে ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এ অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দাখিলের শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন বিভিন্ন সুবিধা পুনর্নির্ধারণ করে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে অর্থ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. ফেরদৌস আলম স্বাক্ষরিত আদেশটি গত ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে সরকারি কর্মচারীদের পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মৃত সরকারি কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাওয়ার অধিকারী হবেন। এ ক্ষেত্রে পেনশন ভোগের সময় পুনর্বিবাহ না করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বছরে একবার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।
তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে প্রতিবছর এ অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
অর্থ বিভাগের আদেশে সরকারি কর্মচারীদের অবসর-পরবর্তী আর্থিক সুবিধার বিভিন্ন বিষয় নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন এবং অব্যবহৃত ছুটির বিপরীতে নগদ অর্থ পাওয়ার বিধান রয়েছে।
আদেশে এসব সুবিধা ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করা হয় ২ সেপ্টেম্বর এবং অর্থ বিভাগ তা রোববার প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে।
নতুন আদেশের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের অবসর-পরবর্তী সুবিধা এবং তাঁদের মৃত্যুর পর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মগুলো আরও স্পষ্ট হলো।