মার্কিন চাপেও নীতি বদলাবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৯
 ছবি:

যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও সরকার ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকবে বলে দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। জাতীয় ঐক্য বজায় থাকলে দেশের অভ্যন্তরে বিভেদ সৃষ্টির যেকোনো চেষ্টা ব্যর্থ হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র গত মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ‘ইকোনমিক ডি-ডে’ ঘোষণা করে। ওয়াশিংটনের দাবি, এটি তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, যার লক্ষ্য ইরান সরকার ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অর্থনৈতিক উৎস বন্ধ করে দেওয়া।

তবে এসব চাপের কারণে সরকার কোনো নীতি পরিবর্তন করবে না বলে জানিয়েছেন পেজেশকিয়ান। শুক্রবার কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, যুদ্ধ, অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে শত্রুরা দেশের ভেতরে বিভেদ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়।

তার বক্তব্যে ২০১৯ ও ২০২০ সালের বিক্ষোভের প্রসঙ্গও উঠে আসে। সে সময় জ্বালানির দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়।

চলতি সপ্তাহে টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে পেজেশকিয়ান বলেন, মানুষ এমনিতেই চাপের মধ্যে রয়েছে। তাদের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

তবে ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য নির্ধারিত তিন স্তরের পেট্রল কোটার একটি স্তরের দাম আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিগুণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মাসিক পেট্রল কোটাও কমানো হবে।

ইরানে দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি সরবরাহে সংকট চলছে। ব্যাপক জ্বালানি পাচার, তেল-গ্যাস অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি ও অবহেলা এবং বেশি জ্বালানি খরচ করা পুরোনো যানবাহনকে এ সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পেট্রলের দাম বাড়লে পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহের ব্যয় আরও বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে মূল্যস্ফীতিতে। এরই মধ্যে শনিবার তেহরানের বাজার খোলার পর ইরানি রিয়ালের মান ঐতিহাসিক সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ২২ লাখ ৫০ হাজার রিয়াল লেনদেন হচ্ছে।

 

 

শু/আজা

 

বিষয়:

ইরান

রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ধরে রাখাই লক্ষ্য: শামা ওবায়েদ

মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা: অর্থমন্ত্রী

সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা

মাজারের খাদেম হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল, ৫ জনকে খালাস

মেসির আরও এক রেকর্ড, ৩০ গোলে অবদান

মার্কিন চাপেও নীতি বদলাবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল: ইসি

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের তিন বন্দীর মৃত্যু

১০

নওগাঁয় পুলিশ পরিবারের কৃতী  শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

১১

শুভ্র কাশফুলের মায়াবী আবহ: বাকঁখালীর তীরে দর্শনার্থীদের ঢল

১২

ঢাবির অধীনে প্রথম বর্ষের মানোন্নয়ন পরীক্ষা বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে: ডিসিইউ রেজিস্ট্রার

১৩

লালমনিরহাটে সারের দাবিতে মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে কৃষকদের বিক্ষোভ

১৪

মাদক মামলায় মিসরে টিভি উপস্থাপিকাসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

১৫

রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত