অভিযুক্ত বাহিনী তদন্ত করতে পারবে না

বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ বিল পাস

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯
 ছবি:

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। রোববার বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের ওয়াকআউটের পর কণ্ঠভোটে বিল দুটি পাস হয়। বিল দুটির পাসের প্রক্রিয়ায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে প্রথমে সংসদ থেকে বেরিয়ে যান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানসহ দলের সদস্যরা। সংসদে বিল দুটি উত্থাপনের পর থেকেই এর বিভিন্ন বিধান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিল জামায়াত।

বিরোধী দলের সদস্যরা বেরিয়ে যাওয়ার পর বিল দুটি জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ করা হয়। পরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ পাস করা হয়।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল বিবেচনার আগে শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা অধ্যাদেশ বাতিলের সময় সরকার আরও শক্তিশালী আইন করার কথা বলেছিল। কিন্তু নতুন বিলে সাধারণ নাগরিক ও শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে ‘দ্বৈত প্রয়োগ’ রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সরাসরি তদন্ত করতে পারবে। কিন্তু কোনো শৃঙ্খলা বাহিনী বা তার সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আগে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কাছে জবাব চাইতে হবে। প্রথমবার জবাব না দিলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সে বিষয়ে আইনে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এরপর তিনি বলেন, ‘আমরা এ আইনের আলোচনায় অংশগ্রহণ করছি না এবং আমরা এখন ওয়াকআউট করছি।’

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জবাবে বলেন, ‘আপনাকে ওয়াকআউট করার জন্য ধন্যবাদ।’ এরপর বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।

মানবাধিকার কমিশনের নতুন কাঠামো

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন রহিত করে নতুন আইন করার জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ সংসদে তোলেন। নতুন আইনের অধীনেও বর্তমান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বহাল থাকবে। কমিশনে একজন চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনার থাকবেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত একজন নারী এবং একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর সদস্য থাকার বিধান রাখা হয়েছে।

চেয়ারপারসন ও কমিশনার নিয়োগের জন্য একটি বাছাই কমিটি গঠনের বিধান রয়েছে। স্পিকার ওই কমিটির সভাপতি হবেন। কমিটিতে আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারি ও বিরোধী দলের মনোনীত সংসদ সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মনোনীত একজন অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি, সাংবাদিক প্রতিনিধি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর একজন প্রতিনিধি থাকার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী এক বা একাধিক তদন্ত দল গঠন করতে পারবে কমিশন।

তবে শৃঙ্খলা বাহিনী বা এর সদস্যের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের ক্ষেত্রে আলাদা প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে। এ ধরনের অভিযোগ পেলে কমিশন নিজ উদ্যোগে বা আবেদনের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে। প্রতিবেদনে কমিশন সন্তুষ্ট হলে আর কোনো পদক্ষেপ নেবে না। সন্তুষ্ট না হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের কাছে করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ করতে পারবে।

সুপারিশ পাওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে কমিশনকে লিখিতভাবে জানাতে হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নতুন আইন করা হয়েছে। বিল তৈরির আগে নাগরিক সমাজ, সাংবাদিক, ভুক্তভোগী, বিদেশি অংশীদার ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। আসাদুজ্জামান বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কোনো ফৌজদারি তদন্ত সংস্থা নয়। মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করাই বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ কাজ। নতুন আইনে কমিশনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষমতা ও সমন জারিসহ দেওয়ানি আদালতের কিছু ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিলটি আরও যাচাই-বাছাইয়ের দাবি জানান। তিনি বলেন, কমিশনের নির্দেশ অমান্য করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পর্যাপ্ত ক্ষমতা নেই। তদন্তে পুলিশ সদস্যদের সম্পৃক্ততা থাকলে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ব্যবস্থা এবং সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর সুরক্ষার আরও স্পষ্ট বিধান রাখার প্রস্তাব দেন তিনি। রুমিন বলেন, ‘একটি ত্রুটিপূর্ণ আইন রহিত করে আরেকটি ফাঁকফোকর যুক্ত আইন তাড়াহুড়ো করে পাস করলে তা মানবাধিকারের জন্য কোনো ভালো ফল বয়ে আনবে না।’ পরে তাঁর উত্থাপিত জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকচ করে বিলটি পাস করা হয়।

গুমের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬ সংসদে তোলেন। এ বিলও জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নাকচ হওয়ার পর কণ্ঠভোটে পাস হয়। নতুন আইনে গুমকে স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপস অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। কোনো সরকারি কর্মচারী বা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিজে অথবা সরকারের সমর্থন, অনুমোদন বা সম্মতিতে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, আটক বা অপহরণের পর তাঁর স্বাধীনতা হরণের বিষয়টি অস্বীকার করলে বা তাঁর অবস্থান গোপন করলে তা গুম হিসেবে গণ্য হবে।

গুমের অপরাধে ন্যূনতম তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। গুমের ফলে মৃত্যু হলে অথবা পাঁচ বছর পরও নিখোঁজ ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা না গেলে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধানও রয়েছে।

অভিযুক্ত বাহিনী তদন্ত করতে পারবে না

কোনো শৃঙ্খলা বাহিনী বা তার সদস্যের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠলে সেই বাহিনী নিজে অভিযোগটির তদন্ত করতে পারবে না। সরকার তদন্তের দায়িত্ব অন্য কোনো শৃঙ্খলা বাহিনী বা আন্তঃবাহিনী তদন্ত দলের কাছে দিতে পারবে। বিলে তল্লাশি পরোয়ানা জারি, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার, ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণ এবং সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী ও ভুক্তভোগীর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে। গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁর পরিবার তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার তথ্য এবং ওই ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি সম্পর্কে জানার অধিকার পাবেন।

ভুক্তভোগীর জন্য সরকারি আইনি সহায়তা, চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে। তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ দেবে। গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী ও নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহে তাঁর সম্পত্তি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার বিধানও রয়েছে। পাঁচ বছরেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান না মিললে উত্তরাধিকারীদের জন্য ‘গুম সনদ’ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

৯০ কার্যদিবসে বিচার শেষ করার বিধান

গুমের অপরাধের বিচার করবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা জজ আদালত। অভিযোগ গঠনের পর ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করার বিধান রাখা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বিচার শেষ করা সম্ভব না হলে কারণ দেখিয়ে আরও ৩০ কার্যদিবস সময় নেওয়া যাবে। তদন্তে কোনো অভিযোগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে বিচারযোগ্য বলে মনে হলে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত প্রতিবেদন ও সাক্ষ্যপ্রমাণ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে পাঠাবেন। চিফ প্রসিকিউটর প্রয়োজন মনে করলে আরও তদন্তের উদ্যোগ নিতে পারবেন।

মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগের ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আদালত অভিযোগকারীকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিতে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারবে।

আগের অধ্যাদেশের তুলনায় পরিবর্তন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের করা গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশে অভিযোগ প্রথমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে নেওয়া এবং পরে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে বিচারের প্রক্রিয়ায় যাওয়ার ব্যবস্থা ছিল। এতে ভুক্তভোগীর জন্য দীর্ঘ প্রক্রিয়া তৈরি হতে পারে বলে বর্তমান সরকার আপত্তি জানিয়েছিল। অংশীজন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে আগের অধ্যাদেশকে আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত ও ব্যাপক গুমের ঘটনা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার্য হবে। অন্য গুমের ঘটনায় নতুন আইনের অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুম প্রতিরোধ বিলের আলোচনায় রুমিন ফারহানা গুমকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি এবং গোপন বন্দিশালা নিষিদ্ধ করার উদ্যোগকে সমর্থন করেন। তবে অতীতের গুমের বিচার নিশ্চিত করা, প্রমাণের দায় সম্পর্কে স্পষ্ট বিধান, সামরিক ও বেসামরিক বিচারের এখতিয়ার পরিষ্কার করা এবং আটক ব্যক্তিদের তথ্য দ্রুত কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে যুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্য কোনো আইনের সঙ্গে বিরোধ হলে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনই প্রাধান্য পাবে—এমন বিধান বিলে রাখা হয়েছে।

তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বিশেষ দূত ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সাক্ষাৎ

মিয়ামি বিমানবন্দরে অ্যামাজনের কার্গো বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫

তিতুমীর কলেজে Clean & Green Campus-এর উদ্যোগে নির্মল বায়ু দিবস ২০২৬ পালিত

আশা জাগিয়েও পারল না বাংলাদেশ

চীনা প্রেমিক টাঙ্গাইলে এলেন বিয়ে করতে, আপত্তিতে ফিরলেন ঢাকায়

মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুটজয়ী জোহেইরি মোলা, কে এই তরুণী

শিশু নিখোঁজের পর জিডি নিতেই গড়িমসি, উদ্ধারে তৎপরতা নিয়েও প্রশ্ন

সরকারি স্কুলের পুকুর ভরাটের অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

র‌্যাবের স্টিকারযুক্ত গাড়িতে জবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা, পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন

১০

শেষ পর্ব : রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এত অস্ত্র কোত্থেকে এলো?

১১

রোহিঙ্গা সংকট: প্রত্যাবাসনের অপেক্ষায় প্রায় ১২ লাখ, বাড়ছে নিরাপত্তা ও মানবিক চাপ

১২

হত্যা মামলার ‘পলাতক’ আসামি আহসান লাবিব ছাত্রশক্তির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি

১৩

বিরোধী দলের ওয়াকআউটের পর মানবাধিকার কমিশন ও গুম প্রতিরোধ বিল পাস

১৪

রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক মনোযোগ ধরে রাখাই লক্ষ্য: শামা ওবায়েদ

১৫

মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা: অর্থমন্ত্রী

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত