নেহাল তাহেরের সঙ্গে বিচ্ছেদ ও চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের সঙ্গে নতুন সম্পর্কের দাবি ঘিরে আলোচনা, তবে নিশ্চিত বক্তব্য মেলেনি**
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূরের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিনোদন অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বামী নেহাল তাহেরের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি এবং বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। পাশাপাশি চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের সঙ্গে তাঁর নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে সাবিলা নূর, নেহাল তাহের কিংবা আবদুল মামুনের নিশ্চিত বক্তব্য ছাড়া গুঞ্জনগুলোকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাবিলা ও নেহাল বেশ কিছুদিন ধরে আলাদা থাকছেন এবং মতের অমিলের কারণে তাঁদের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। তবে তাঁরা সত্যিই আলাদা থাকছেন কি না, কিংবা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সাবিলা নূরের সঙ্গে বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রাহক আবদুল মামুনের সম্পর্ক নিয়ে সম্প্রতি আলোচনা ছড়িয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাকিব খান অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় তাঁদের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে একই সিনেমায় কাজ করা বা কোনো অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত থাকার ঘটনা থেকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। সাবিলা নূর ও আবদুল মামুনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তাঁদের সম্পর্কের কারণে সাবিলা ও নেহালের দাম্পত্য জীবনে দূরত্ব তৈরি হয়েছে—এমন দাবিও যাচাই করা প্রয়োজন।
২০১৯ সালের ৭ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে নেহাল তাহেরকে বিয়ে করেন সাবিলা নূর। নেহাল পেশায় একজন ব্রডকাস্ট প্রকৌশলী। বন্ধুত্ব থেকে তাঁদের সম্পর্ক ভালোবাসায় রূপ নেয় বলে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৪ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেন সাবিলা। পরে বিজ্ঞাপন, খণ্ড নাটক ও ধারাবাহিকে অভিনয় করে পরিচিতি পান। ছোটপর্দার পাশাপাশি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ও চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি। শাকিব খানের সঙ্গে ‘তাণ্ডব’ ও ‘রকস্টার’ এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায়ও আলোচনায় আসেন এই অভিনেত্রী।
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুঞ্জনের মধ্যে সাবিলা নূর ও তাঁর পরিবারের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ছাড়া বিচ্ছেদ বা নতুন সম্পর্কের দাবি নিশ্চিত সংবাদ হিসেবে প্রকাশ করা উচিত নয়।