ইউনিয়ন-ওয়ার্ডে ছড়াতে চায় ছাত্রদের দল

৪৬০০ ইউনিয়নে প্রার্থী দিতে চায় এনসিপি, বড় পরীক্ষার সামনে নতুন দল

বিশেষ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯
 ছবি:

আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে না গিয়ে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি দেশের প্রায় ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়ন এবং প্রতিটি ওয়ার্ডে দল-সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছে দলটি। নির্বাচনের আগেই উপজেলা থেকে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলে তৃণমূলে নিজেদের রাজনৈতিক ভিত্তি শক্ত করার কৌশল নিয়েছে এনসিপি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দলীয় কার্যালয়ে সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। তিনি বলেন, ‘আমরা এককভাবে নির্বাচন করব। সেটিকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে এনসিপি মাঠপর্যায়ে দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছে।’

সারজিস আলম জানান, এরই মধ্যে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপি-সমর্থিত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। পাঁচটি সিটি করপোরেশনের প্রার্থীও ঘোষণা করেছে দলটি। বাকি সিটি করপোরেশনগুলোর প্রার্থীদের নামও চলতি মাসের মধ্যে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে এনসিপির প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। সারজিস আলম বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়ন রয়েছে। এসব ইউনিয়ন পরিষদে এনসিপি-সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নভেম্বরের মধ্যে ঘোষণা করার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’ তাঁর ভাষায়, আগামী স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে নির্বাচন করবে এবং ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত দল-সমর্থিত প্রার্থী থাকবে।

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান সারোয়ার তুষারও বলেছেন, কোনো ধরনের জোট গঠন না করেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেবে দলটি। প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। দক্ষতা, যোগ্যতা ও স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করতে চান তাঁরা।

তৃণমূলে সংগঠন বিস্তারের পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থীদের আগেভাগে মাঠে পরিচিত করার কাজও চলছে। এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপির মূল অবস্থান হলো দলকে এককভাবে শক্তিশালী করা। সে লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে আমাদের প্রার্থী ও সাংগঠনিক অবস্থান সুসংহত করার কাজ চলছে।’ আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিক কর্মীসভা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিভাগে জেলা পর্যায়ের স্থানীয় নেতাদের নিয়ে সমন্বয় সভাও হয়েছে। আগামী দুই-এক মাসের মধ্যে ওয়ার্ড বা তৃণমূল পর্যায়ের কমিটি গঠনের কাজ দ্রুত শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর সঙ্গে সমন্বয় করেই স্থানীয় প্রতিনিধিদের নাম ঘোষণা করা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ের মানদণ্ড সম্পর্কে আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, প্রার্থীর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হবে। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বিবেচনা করা হবে। অন্যায় বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নন এবং নতুন করে রাজনীতিতে আসতে চান—এমন ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখছে না এনসিপি। বরং এটিকে তৃণমূলে রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরির বড় পরীক্ষা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। সে কারণে নির্বাচনের আগেই উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড় করানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে এনসিপি। ২৮ আগস্ট সারজিস আলম স্বাক্ষরিত সাংগঠনিক নির্দেশনায় জেলা ইউনিটগুলোকে এ সময়সীমা দেওয়া হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্ভব না হলে ১১ থেকে ১৫ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি করা যাবে। পরে ১৫ দিনের মধ্যে সেটিকে ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে রূপ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

উপজেলা কমিটি গঠনের পর ইউনিয়ন পর্যায়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কাজও শুরু করতে বলা হয়েছে। সারজিস আলম জানিয়েছেন, নভেম্বরের মধ্যে দেশের সব ইউনিয়নে আহ্বায়ক কমিটি গঠনের লক্ষ্য নিয়ে দল এগোচ্ছে। উপজেলা নেতৃত্ব বাছাইয়েও নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড দিয়েছে এনসিপি। দলীয় নির্দেশনায় উপজেলা আহ্বায়কের বয়স কমপক্ষে ৪০ বছর এবং সদস্যসচিবের বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর রাখার কথা বলা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে পরিচিত, গ্রহণযোগ্য, নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে। কমিটিতে অন্তত ৫ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব এবং স্থানীয় ধর্মীয় ও জাতিগোষ্ঠীর আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সাংগঠনিক নেতৃত্বে আনার বিষয়টিও দলটির পরিকল্পনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। এতে নির্বাচনী প্রার্থী এবং তৃণমূল সংগঠনকে একই কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনও জানিয়েছেন, দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের শক্তিতে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ১০০ জন সমর্থিত প্রার্থীর—উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র—নাম প্রকাশ করেছি। খুব শিগগিরই আরও ১০০ জন প্রার্থীর তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।’ মনিরা শারমিন বলেন, পদযাত্রার মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর কাজ হয়েছে। বর্তমানে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কমিটি সম্প্রসারণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। জোটের সম্ভাবনা সম্পর্কে মনিরা শারমিন বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রভাবে নিজেদের শক্তিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। জামায়াতসহ অন্যান্য দলগুলোও যার যার মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা আমাদের অবস্থান থেকে ইতোমধ্যে শতাধিক প্রার্থী ঘোষণা করেছি এবং এখন পর্যন্ত এককভাবেই মাঠে নামার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি।’

স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে লড়ার সিদ্ধান্ত এনসিপির জন্য একই সঙ্গে ঝুঁকি ও সুযোগ তৈরি করছে। জোটের বাইরে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে প্রতিটি এলাকায় দলের নিজস্ব সংগঠন, প্রার্থী ও ভোটারভিত্তির ওপর নির্ভর করতে হবে। এতে নির্বাচনের ফলাফল দলটির প্রকৃত সাংগঠনিক শক্তি সম্পর্কে একটি ধারণা দিতে পারে।

বিশেষ করে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় অনেক বেশি স্থানীয় সমীকরণনির্ভর। প্রার্থীর ব্যক্তিগত পরিচিতি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সাংগঠনিক সক্ষমতা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ এসব নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখে। নতুন দল হিসেবে এনসিপির জন্য তাই শুধু প্রার্থী ঘোষণা করাই যথেষ্ট নয়; প্রার্থীদের মাঠে কার্যকর সাংগঠনিক সহায়তা দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

প্রায় ৪ হাজার ৬০০ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং প্রতিটি ইউনিয়নের ওয়ার্ডে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে বিপুলসংখ্যক যোগ্য প্রার্থী ও সংগঠক প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক এলাকায় দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, স্থানীয় বিরোধ সামলানো, প্রচার ও নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় সংগঠনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা এনসিপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে দলটির নেতারা বলছেন, শুধু সংখ্যার ভিত্তিতে প্রার্থী দেওয়াই তাঁদের লক্ষ্য নয়। সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের প্রার্থী করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে চলতি বছরের ডিসেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে পারে—এমন সম্ভাবনাকে সামনে রেখে এনসিপির সাংগঠনিক তৎপরতা আরও বেড়েছে। তবে ডিসেম্বরের ভোটের বিষয়টি এখনো নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক তফসিল নয়। এনসিপির সেপ্টেম্বর, অক্টোবর বা নভেম্বরের সময়সীমাগুলোও মূলত দলটির নিজস্ব সাংগঠনিক ও প্রার্থী বাছাইয়ের পরিকল্পনা। ফলে আগামী কয়েক মাস এনসিপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা, ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে আহ্বায়ক কমিটি গঠন, এরপর ইউনিয়ন পর্যায়ে সংগঠন বিস্তার এবং নভেম্বরের মধ্যে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সব মিলিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে এনসিপির কৌশলে দুটি বিষয় স্পষ্ট—একদিকে ব্যাপকভাবে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি, অন্যদিকে নির্বাচনের আগেই তৃণমূল সংগঠন দাঁড় করানোর চেষ্টা। এককভাবে নির্বাচনে গিয়ে দলটি কতটা সফল হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে ঘোষিত প্রার্থীদের স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা এবং নতুন গড়ে ওঠা সাংগঠনিক কাঠামো কতটা কার্যকরভাবে ভোটের মাঠে কাজ করতে পারে তার ওপর।

নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপি যদি ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড পর্যন্ত কার্যকর সংগঠন দাঁড় করিয়ে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে, তাহলে স্থানীয় রাজনীতিতে তাদের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান হতে পারে। আর প্রত্যাশিত ফল না এলে বড় পরিসরে এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সীমাবদ্ধতাও প্রকাশ পেতে পারে। সে অর্থে স্থানীয় সরকার নির্বাচন এনসিপির কাছে শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লড়াই নয়, তৃণমূলে নিজেদের রাজনৈতিক ভিত্তি কতটা শক্ত করতে পেরেছে—তারও বড় পরীক্ষা।

বাংলাদেশ-ভারত নৌচলাচল চুক্তি ও এমওইউ, বৈঠকে বসতে বারবার দিল্লির চিঠি, আগ্রহ কম ঢাকার

মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ পথে ইন্দোনেশিয়ায়, আট বাংলাদেশিসহ ১৬ জন আটক

বারনই নদীতে হঠাৎ ভেসে উঠল বিপুল মাছ, পানির নমুনা পরীক্ষার দাবি

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে, ভারতের সঙ্গে বাস্তবতা মেনে চলতে হবে

চান্দিনার জয়দেবপুরে ফুলসজ্জিত গাড়িতে ইমামের বিদায়

এমবাপের পেনাল্টি মিস, বেতিসের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদের হতাশার হার

এবার হেরেই গেল পিএসজি

ইসাকের জোড়া গোলে লিভারপুলের প্রথম জয়

বন্যার পর সুড়ঙ্গে ৯ দিন: অন্ধকারে মন্ত্র জপে বেঁচে ছিলেন দুই জলবিদ্যুৎকর্মী

১০

ব্রিকসে তারেক রহমান বা তাঁর প্রতিনিধি আসছেন কি না, জানে না ভারত

১১

পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে শেষ মুহূর্তে প্রশাসনিক জটিলতার আভাস

১২

‘এক্স-ফ্যাক্টর’ নিয়ে আসা হাসানের প্রশংসায় মুখর কেন্ট সতীর্থ

১৩

মিয়ানমারে ড্রোন হামলায় ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সম্পৃক্ততার দাবি এনআইএর

১৪

এভারেস্টে পর্বতারোহীদের প্রস্রাবেও গলছে হিমবাহ, বছরে গলছে আড়াই হাজার টন বরফ

১৫

ভারতে জেন-জির পর জেন-আলফার আন্দোলন, শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে শিশুরা

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত