বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যেই ক্ষমতায় যাবে, সেই হাসিনায় পরিণত হবে- মামুনুল হক

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৯
 ছবি:

 বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান, আমরা আপনাকে শেখ হাসিনার মতো পরিণতি বরণ করতে দেখতে চাই না। তাই আমরা আপনাকে সতর্ক করছি। আজ বাংলাদেশে যেই সংবিধান, যেই রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত আছে, এই রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অটোমেটিক যেই যাবে লংকায়, সেই হবে হনুমান। যেই ক্ষমতায় যাবে, সেই হাসিনায় পরিণত হবে ৫ থেকে ১০ বছর পর। কারণ সমস্ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করে এক ব্যক্তির হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এটাই হলো এই ৭২-এর চলমান সংবিধান।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন,তেল বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদে আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, জুলাই সনদের মধ্যে এক ব্যক্তির হাতের ক্ষমতাকে টেনে এনে একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়বার জন্য ক্ষমতাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে। কিছু ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্ষমতা দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতির হাতে। বর্তমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি একটা পুতুল, ঠুটো জগন্নাথ। শুধু বঙ্গভবনে ঘোরাফেরা করা ছাড়া, হাঁসের ডিম পাড়া ছাড়া তার আর কোনো কাজ নাই। বাংলাদেশ চায়, জুলাই বিপ্লব চায়, জুলাই সনদ চায়। প্রেসিডেন্ট যিনি থাকবেন, তার হাতে কিছু ক্ষমতা থাকতে হবে।

জুলাই সনদের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, দ্বিতীয় যেই পরিবর্তনের প্রস্তাবনা আনা হয়েছে জুলাই সনদে, সেটা হলো বিচার বিভাগ এবং বিচার বিভাগ সংক্রান্ত যেই ক্ষমতা, সেটা প্রধানমন্ত্রীর হাতে নয়, নির্বাহী বিভাগের হাতে নয়; সেটা থাকবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে একটা বিচার বিভাগীয় কমিশনের হাতে। এতে কিছু ক্ষমতা চলে যাবে সেখানে, যাতে আর কোনো খাইরুল হকদের মতো কুলাঙ্গার, সরকারের দালাল কোনো বিচারপতি যেন দেশের জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে। 

প্রশাসনিক কাঠামো দলীয়করণের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা জানেন বাংলাদেশের বাস্তবতা। ক্ষমতাশীন মহল গোটা প্রশাসনকে দলীয়করণ করে। করেন। এজন্য বিগত সরকারের আমলে সবাই বলতো, 'আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পরে হলো পুলিশ লীগ।' অথচ এই পুলিশ জনগণের বন্ধু হওয়ার কথা। এই পুলিশ দেশের কল্যাণে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নিরপেক্ষভাবে কাজ করার কথা। কিন্তু দলীয়করণের কারণে পুলিশ সেটা করতে পারে নাই। দোষ তো পুলিশের নয়, দোষ তো ছিল ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার।

তিনি আরও বলেন, আমরা রক্ত দিয়ে যেই জুলাই এনেছি, সেই জুলাইয়ের পরে আর চাই না যে এখন আবার নতুন করে আবার সেই পুরনো দিনের খেলা দেখবো—জাতীয়তাবাদী দল, জাতীয়তাবাদী যুবদল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পরে জাতীয়তাবাদী পুলিশ দল হবে, সেই দৃশ্য বাংলার মানুষ আর দেখতে চায় না। এজন্য প্রশাসনকে দলীয়করণমুক্ত করার জন্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন—যারা প্রশাসনে নিয়োগ দেয়, সেই জায়গাটাকে একটা নিরপেক্ষ, এমন একটা আস্থাভাজন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে সরকারি নিয়োগ দেওয়া, যাতে সেখানে দলীয়করণের পথ বন্ধ হয়ে সত্যিকারের মেধাবী সন্তানরা যেন সরকারের প্রশাসনে যেতে পারে, রাষ্ট্রযন্ত্র যেন তারা পরিচালনা করতে পারে, নিরপেক্ষভাবে নির্দলীয়ভাবে যেন সেই কার্যক্রমগুলো পরিচালিত হয়। এগুলোই হলো জুলাই সনদের চাওয়া। 

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা ফজলুল হক শাহের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি মুফতি ইসরাফিল আলমের সঞ্চলনায় এ সময় অনুষ্ঠানে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী, রাজশাহী মহানগরীর সভাপতি মাওলানা জোবায়ের হোসাইনসহ কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

 

শু/আজা

‘যৌনাঙ্গ চুরির’ গুজব যেভাবে আফ্রিকায় প্রাণঘাতী হয়ে উঠল

লংমার্চে বাধা দিলে এক দফায় পরিণত হবে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি: হুমায়ুন কবির

রেজওয়ানার মতো হারাম মেয়ে থাকায় আপনাদের ক্ষমতায় আসতে দেয় নাই: জোটের লংমার্চে অলি

বি-১/বি-২ ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে যা করা যাবে না

ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের পতন হবে : এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ

জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই প্রধানমন্ত্রীর

সাভারে তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে দম্পতির মরদেহ, পাশে পড়েছিল মৃত ভ্রূণ

পর্ব - ০৩ : অপহরণ-মাদক-অস্ত্রের জাল, ক্যাম্পের বাইরে ছড়ানোর শঙ্কা

১০

নেপালে ভয়াবহ বন্যার ১০ দিন পর আরও ২ জনকে জীবিত উদ্ধার

১১

জামায়াত জোটের লংমার্চ গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী: জহির উদ্দিন স্বপন

১২

নভেম্বরে ইউপি ভোট, ১৫ সেপ্টেম্বর তফসিল—স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে প্রস্তুত ইসি

১৩

সরকারকে ‘ওয়েক-আপ কল’ দিতে চট্টগ্রামমুখী ১১ দলের লংমার্চ

১৪

বেলুচিস্তানে সেনা অভিযান, ৭২ ঘণ্টায় নিহত ৪৮

১৫

পিকাক্স পর্বতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত