সরকার গঠনে নির্ধারক হতে পারে আরব দলগুলোর ১৯ আসন

ইসরায়েলের নির্বাচনে অচলাবস্থা, কী সমীকরণ ভারত, ইরান ও গাজার

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১১
 ছবি:

নেতানিয়াহুর জোট ৫৩, আইজেনকোটের ৪৮ আসন; সরকার গঠনে নির্ধারক হতে পারে আরব দলগুলোর ১৯ আসন—মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও ভারতের স্বার্থেও প্রভাবের আশঙ্কা

ইসরায়েলের ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনে কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ১২০ আসনের নেসেটে (পার্লামেন্ট) প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির পেয়েছে ৪৮টি। বাকি ১৯টি আসন গেছে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর ঝুলিতে। ফলে সরকার গঠনের আলোচনা ঘিরে দেশটির রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। 

নির্বাচনের ফল নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোটকে দুর্বল করেছে, কিন্তু বিরোধীদের জন্যও ক্ষমতায় যাওয়ার পথ মসৃণ করেনি। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। বিরোধী শিবিরের সঙ্গে আরব দলগুলোর আসন যোগ করলে সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৭। তবে আরব দলগুলোর সমর্থন নেওয়া নিয়ে বিরোধী শিবিরের মধ্যেই মতপার্থক্য রয়েছে। ফলে আসনসংখ্যার হিসাবে সম্ভব মনে হলেও রাজনৈতিক বাস্তবতায় সরকার গঠনের সমীকরণ বেশ জটিল। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই অচলাবস্থার প্রভাব শুধু ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ইরানের সঙ্গে সংঘাত, গাজার ভবিষ্যৎ, পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি এবং ভারতের সঙ্গে ইসরায়েলের কৌশলগত সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই নতুন সরকারের গঠন ও নীতিগত অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। 

সরকার গঠনের সম্ভাব্য সমীকরণ

নির্বাচনের পরপরই নেতানিয়াহু বা আইজেনকোট—কেউই সরকার গঠনের মতো নিশ্চিত সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখাতে পারেননি। ফলে কয়েকটি সম্ভাবনা সামনে এসেছে।

প্রথমত, নেতানিয়াহু আবারও জোট গঠনের চেষ্টা করতে পারেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন শিবিরের আসন ৫৩ হলেও আরও কয়েকজন আইনপ্রণেতার সমর্থন পেলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বর্তমান মিত্রদের ধরে রাখা কিংবা বিরোধী শিবির থেকে সমর্থন আদায় করতে হবে। তবে তাঁর জোটের আসন আগের পার্লামেন্টের ৬৮ থেকে কমে ৫৩ হওয়ায় দর-কষাকষির ক্ষমতা কমেছে। 

দ্বিতীয় সম্ভাবনা, আইজেনকোটের নেতৃত্বে বিরোধী সরকার। তাঁর শিবিরের ৪৮টি আসনের সঙ্গে আরব দলগুলোর ১৯টি যোগ হলে ৬৭ আসনের সমর্থন পাওয়া সম্ভব। কিন্তু নাফতালি বেনেট ও আভিগদর লিবারম্যানের মতো বিরোধী নেতারা আরব দলগুলোর ওপর নির্ভর করে সরকার গঠনের বিরোধিতা করেছেন। ফলে গাণিতিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি করা কঠিন হতে পারে। 

তৃতীয় সম্ভাবনা জাতীয় ঐক্যের সরকার। এ ক্ষেত্রে লিকুদ পার্টি ও বিরোধী শিবিরের কোনো কোনো দল একসঙ্গে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু নেতানিয়াহুকে তাঁর কট্টর ডানপন্থি ও অতিধর্মীয় ইহুদি মিত্রদের সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিরোধীদেরও অবস্থান বদলাতে হবে। আইজেনকোট নেতানিয়াহুর অধীনে সরকারে যোগ দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন। 

চতুর্থ সম্ভাবনা, দীর্ঘ আলোচনা ব্যর্থ হলে নতুন নির্বাচন। তবে তার আগ পর্যন্ত নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেবেন। নতুন নেসেটের অধিবেশন বসার কথা ১০ নভেম্বর। 

ইরান ও গাজায় কি নীতির পরিবর্তন আসবে

ইসরায়েলের নতুন সরকার যে-ই গঠন করুক, ইরান ও হামাসের প্রশ্নে দেশটির মূল নিরাপত্তানীতি দ্রুত বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। আইজেনকোট সাবেক সেনাপ্রধান এবং ইরান ও হামাসের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত। তিনিও ফিলিস্তিনের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন। নেতানিয়াহু ও আইজেনকোট—দুজনই হামাসকে নিরস্ত্র করা এবং গাজায় তাদের শাসনের অবসান চান। ফলে সরকার পরিবর্তন হলেও গাজা নিয়ে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন নিশ্চিত নয়। 

তবে কূটনৈতিক পদ্ধতি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন এবং পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা মোকাবিলায় নতুন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হতে পারে। আইজেনকোট ক্ষমতায় এলে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং গাজা নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনার জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে এনডিটিভির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে। কিন্তু ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমঝোতা দুর্বল থাকলে ফিলিস্তিন প্রশ্নে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও সীমিত হবে। 

ইরানকে ঘিরে পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপ নিলে ইসরায়েল ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখতে পারে। নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী থাকাকালেও নিরাপত্তা ও সামরিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব তাঁর সরকারের হাতে থাকবে। তবে রাজনৈতিক সংকট থেকে জনমত সরাতে বা দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন—এমন ধারণা বিশ্লেষণমূলক সম্ভাবনা, নিশ্চিত কোনো পরিকল্পনার তথ্য নয়।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে তার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও পড়তে পারে। পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা, জ্বালানি অবকাঠামো, সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ঝুঁকির মুখে পড়বে। এতে জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ব্যয় বাড়তে পারে। ভারতও এ ঝুঁকির বাইরে নয়।

ভারত-ইসরায়েল সম্পর্কে কতটা প্রভাব পড়বে

ইসরায়েলের নির্বাচন ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দুই দেশের সম্পর্ক এখন আর শুধু অস্ত্র কেনাবেচায় সীমাবদ্ধ নেই। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, কৃষি, পানি ব্যবস্থাপনা, মহাকাশ গবেষণা ও বাণিজ্য—বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফরের সময় দুই দেশের সম্পর্ক ‘শান্তি, উদ্ভাবন ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্বে’ উন্নীত হয়। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়েও সমঝোতা হয়েছিল। নেতানিয়াহু ও মোদির ব্যক্তিগত সম্পর্ক এই অংশীদারত্বকে দৃশ্যমান করেছে, তবে প্রতিরক্ষা চুক্তি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও গবেষণার বহু উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ফলে ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হলেও এসব সহযোগিতা রাতারাতি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কম। 

তবে নেতৃত্বের পরিবর্তনে সম্পর্কের কূটনৈতিক ভাষা ও অগ্রাধিকারে কিছু পার্থক্য দেখা দিতে পারে। আইজেনকোটের সরকার ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত এবং গাজা নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনার জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে ভিন্ন পদ্ধতি নিতে পারে। ভারতের জন্য নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ হবে। 

ভারতের কৌশলগত চ্যালেঞ্জ আরও বিস্তৃত। ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি আরব দেশগুলো ও ইরানের সঙ্গেও তার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে বিপুলসংখ্যক ভারতীয় নাগরিক কাজ করেন। এ অঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যপথে অস্থিরতা দেখা দিলে ভারতের অর্থনীতি ও প্রবাসীদের নিরাপত্তা—দুটিই প্রভাবিত হতে পারে।

বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত বাড়লে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে। তেলের দাম বেড়ে গেলে ভারতের আমদানি ব্যয় বাড়বে। একই সঙ্গে ভারত-মধ্যপ্রাচ্য-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর এবং আই২ইউ২-এর মতো আঞ্চলিক সহযোগিতা উদ্যোগও অস্থিতিশীল পরিবেশে বাধার মুখে পড়তে পারে। 

আরব দলগুলোর উত্থান কি নতুন বার্তা দিচ্ছে

নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর ১৯টি আসন পাওয়া ইসরায়েলের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই আসনসংখ্যা তাদের সরকার গঠনের আলোচনায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে আরব দলগুলোর অবস্থান এক নয় এবং তাদের সমর্থন পেতে বিরোধী শিবিরকে রাজনৈতিক ও নীতিগত সমঝোতায় যেতে হবে।

ইসরায়েলের রাজনৈতিক সংকটের মূল বিষয় এখন শুধু নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকবেন কি না, তা নয়। বরং নতুন সরকার কতটা স্থিতিশীল হবে, নিরাপত্তানীতি কীভাবে পরিচালিত হবে এবং ফিলিস্তিন প্রশ্নে কোনো রাজনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব হবে কি না—এসবও গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের ফল এখন পর্যন্ত এসব প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর দেয়নি।

সব মিলিয়ে, নেতানিয়াহুর জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ পুরোপুরি নির্ধারিত হয়নি। আইজেনকোটের সামনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা গড়ার সুযোগ আছে, কিন্তু আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে বাধাও রয়েছে। সরকার গঠনের আলোচনা দীর্ঘ হলে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অনিশ্চয়তা বাড়তে পারে। আর ইরান, গাজা ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এমনিতেই অস্থির থাকায় এই রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রভাব আন্তর্জাতিক পরিসরেও পড়তে পারে। ভারতের জন্য তাই ইসরায়েলের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বজায় রাখা এবং একই সঙ্গে আরব দেশ ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা—দুই পথেই এগোনো জরুরি।

১

লালমনিরহাটে কিশোর গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা ক্রীড়া চক্র

২

কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আহমদ গিয়াস আর নেই

৩

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে নামছেন কক্সবাজারের হাজারো জেলে

৪

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে কত পয়েন্ট লাগবে, দেখে নিন

৫

আতঙ্কে রাতে আত্মীয়দের বাড়ি থাকেন মানিক পশারীর মেয়ে-বোন

৬

ডিএমপির নিউজ পোর্টালে রাজনৈতিক বার্তা, হ্যাকের শঙ্কা

৭

বাড়িতে মাদক-ডিজে পার্টি, অতিরিক্ত ডিআইজি জহির সাময়িক বরখাস্ত

৮

শ্রীলঙ্কার রানপাহাড় টপকে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

৯

দ্বিতীয় টেস্টের দল ঘোষণা বাংলাদেশের, কনকাশনে বাদ মুমিনুল

১০

বঙ্গোপসাগরে ফের ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, যেসব এলাকায় আঘাত হানতে পারে

১১

বিশ্বকাপ ফাইনালের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব নিয়ে মুখ খুললেন মার্তিনেজ

১২

মিঠুন-সোহানের সেঞ্চুরিতে খুলনার রক্ষা, রাজশাহীকে টানছেন মেহরব

১৩

পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সিরিজ দক্ষিণ আফ্রিকার

১৪

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে কি যুক্ত হচ্ছে ইরান?

১৫

কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা, উত্তেজনা

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত