জরিপ, নাকি বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা

আর্থিক প্রলোভনে জুলাই শহীদদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ
রিকশার পাদানিতে ফেলে গোলাম নাফিজকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টার সেই ছবি ছুঁয়ে যেন ছেলের স্পর্শ নিতে চাইছেন তার মা নাজমা আক্তার। বিডিনিউজ ছবি:
রিকশার পাদানিতে ফেলে গোলাম নাফিজকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টার সেই ছবি ছুঁয়ে যেন ছেলের স্পর্শ নিতে চাইছেন তার মা নাজমা আক্তার। বিডিনিউজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের পরিবার থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, মামলার নথি, মৃত্যুসনদ, ছবি ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। আর্থিক সহায়তার আশ্বাসসহ নানা ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান শহীদ পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ করছে—এমন অভিযোগ করেছেন অন্তত দুটি শহীদ পরিবার। বিষয়টি গড়িয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় পর্যন্ত। তবে তথ্য সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এটি ছিল জুলাই-সংক্রান্ত গবেষণার অংশ এবং অভিযোগ ওঠার পর তারা কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে ‘অ্যাকশন ফর ইনোভেটিভ রিসোর্স লিমিটেড’ বা এআইআর নামের একটি প্রতিষ্ঠান। শহীদ পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা নিজেদের গবেষণা বা জরিপকর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁদের বাড়িতে গিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিগত ও আইনি নথি চেয়েছেন। কোথাও কোথাও শহীদ পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা বা বাড়িঘর নির্মাণের মতো সুবিধার কথাও বলা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাটির সবচেয়ে গুরুতর দিক সামনে আসে সিলেটের গোলাপগঞ্জে। গত ২১ আগস্ট কানিশাইল গ্রামে জুলাই শহীদ তাজ উদ্দিনের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে এআইআরের কর্মী পলাশী মজুমদারকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে দেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, কানাডাভিত্তিক একটি সংস্থায় কাজ করেন—এমন পরিচয় দিয়ে তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, মামলার কপি ও সরকারি গেজেটের নথির ফটোকপি সংগ্রহ করছিলেন। শহীদ পরিবারের জন্য বাড়িঘর নির্মাণসহ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা বলেও তথ্য নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

গোলাপগঞ্জ থানার পুলিশ জানিয়েছে, পলাশী মজুমদারকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলাটি পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে স্থানান্তর করা হয়েছে। অর্থাৎ মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি শুধু অভিযোগের পর্যায়ে থাকেনি; অন্তত একটি ঘটনায় তা আইনগত প্রক্রিয়ায় গড়িয়েছে।

এদিকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী ও মিরপুরেও একই ধরনের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। শহীদ মিরাজ হোসেনের ছোট ভাই আব্দুল্লাহ আল পাভেল জানান, এআইআরের এক কর্মী তাঁর কাছেও তথ্য চেয়েছিলেন। সিলেটের ঘটনা জানার কারণে তিনি কোনো তথ্য দেননি। অন্যদিকে শহীদ শাফিক উদ্দিন আহমেদ আহনাফের বাবা নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, কয়েক দিন আগে এক নারী নিজেকে একটি সার্ভে প্রতিষ্ঠানের কর্মী পরিচয় দিয়ে তাঁর বাসায় যান। ওই নারী মামলার কাগজ ও জাতীয় পরিচয়পত্র চান। পরিবারের সদস্যরা সরল বিশ্বাসে নথি দেওয়ার পর সিলেটের ঘটনা জানতে পারেন। পরে তাঁরা ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন।

শহীদ পরিবারগুলোর অভিযোগের গুরুত্ব আরও বেড়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের বক্তব্যে। তিনি দাবি করেছেন, এআইআরের পেছনে কানাডাভিত্তিক ‘গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নেন্স’ বা জিসিডিজির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এবং ওই সংগঠনের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাতের সম্পর্ক আছে। তাঁর অভিযোগ, জুলাই শহীদ পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে তাদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি করা, শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা কিংবা বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে।

চিফ প্রসিকিউটরের এই বক্তব্য অবশ্য অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। এআইআরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূর হোসাইন সরাসরি এই সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, হাবিবে মিল্লাতকে তিনি চেনেন না এবং প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি জানান, এআইআর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের দিকে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর থেকে নিবন্ধিত একটি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

নূর হোসাইনের বক্তব্য অনুযায়ী, জুলাই-সংক্রান্ত গবেষণার জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন সরকারি, আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সংস্থার কাছে থাকা জুলাই আন্দোলনে নিহতদের তালিকা ও তথ্যের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের তথ্য মিলিয়ে দেখা। তাঁর দাবি, নিহতদের সংখ্যা ও তালিকা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। আবার আন্দোলনে নিহত হলেও কারও কারও নাম সরকারি গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এসব তথ্য যাচাই করাই ছিল গবেষণার উদ্দেশ্য।

এই কাজের অংশ হিসেবে মৃত্যুসনদ, আন্দোলনের ছবি, সংবাদ প্রতিবেদন, ভিডিও, হাসপাতালের নথি, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, সারা দেশে তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা থাকলেও কাজটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ছিল এবং প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম চালানো হয়। অভিযোগ ওঠার পর তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তবে এখানেই মূল প্রশ্ন—গবেষণার উদ্দেশ্য সত্যিই যদি তথ্য যাচাই হয়, তাহলে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে সংবেদনশীল ব্যক্তিগত ও আইনি নথি সংগ্রহের ক্ষেত্রে কী ধরনের অনুমোদন, গবেষণা কাঠামো ও তথ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল?

নূর হোসাইনের কাছে গবেষণা প্রস্তাব বা আনুষ্ঠানিক গবেষণা নথি আছে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো নথি তাঁর কাছে নেই। এই তথ্য তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোনো গবেষণা প্রকল্পে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে গবেষণার উদ্দেশ্য, তথ্য ব্যবহারের ধরন, সংরক্ষণ পদ্ধতি, তৃতীয় পক্ষের কাছে তথ্য হস্তান্তরের সুযোগ এবং অংশগ্রহণকারীর সম্মতির বিষয়গুলো স্পষ্ট থাকা জরুরি।

আরও একটি প্রশ্ন হলো, শহীদ পরিবারের কাছে আর্থিক সহায়তা বা বাড়িঘর নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল কি না। সিলেটের মামলার অভিযোগে এমন বক্তব্য রয়েছে। যদি সত্যিই কোনো আর্থিক সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যক্তিগত নথি সংগ্রহ করা হয়ে থাকে, তাহলে সেটি নিছক গবেষণা জরিপের সীমা ছাড়িয়ে যায় কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়।

অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নিহতদের তালিকা যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। নিহতদের প্রকৃত সংখ্যা, পরিচয়, মৃত্যুর কারণ, ঘটনার স্থান ও সময় এবং সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা ভবিষ্যৎ ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, ক্ষতিপূরণ এবং বিচার—সব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই কাজ কতটা স্বচ্ছ ও স্বাধীনভাবে হচ্ছে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে জুলাই-সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার যখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান, তখন শহীদ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের প্রতিটি উদ্যোগ স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি সংবেদনশীলতা তৈরি করবে। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি শহীদ পরিবারের কাছ থেকে মামলার নথি বা পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে, তাহলে সেই তথ্য কোথায় যাচ্ছে এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার হচ্ছে—এ প্রশ্নের উত্তর থাকা জরুরি।

চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশকে অবহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং এআইআরের তৎপরতা সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক করা হবে। একই সঙ্গে হাবিবে মিল্লাটের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত তদন্তের মাধ্যমেই নির্ধারিত হতে পারে।

এখন পর্যন্ত যে চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, তাতে দুটি বিষয় পাশাপাশি রয়েছে। একদিকে জুলাই শহীদদের তথ্য যাচাইয়ের একটি গবেষণা উদ্যোগের কথা বলছে এআইআর; অন্যদিকে শহীদ পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তাঁদের কাছ থেকে সংবেদনশীল নথি নেওয়া হয়েছে এবং কোথাও আর্থিক সুবিধার কথাও বলা হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চিফ প্রসিকিউটরের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, যা এআইআরের পক্ষ থেকে সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে।

ফলে এখন সবচেয়ে জরুরি হলো—এআইআরের গবেষণার অর্থায়ন কোথা থেকে এসেছে, কার সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে কাজটি শুরু হয়েছিল, মাঠকর্মীদের কী ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, সংগৃহীত নথি কোথায় সংরক্ষিত হয়েছে, কতজন শহীদ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সংগৃহীত তথ্য কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছে দেওয়া হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্ত।

জুলাই শহীদদের পরিবার শুধু একটি পরিসংখ্যানের অংশ নয়; তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শোক, বিচার ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির বিষয়। তাই তাঁদের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা যেমন থাকতে পারে, তেমনি থাকতে হবে স্পষ্ট পরিচয়, লিখিত সম্মতি, তথ্য সুরক্ষা এবং জবাবদিহি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষের দাবিকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কিন্তু যে প্রশ্নটি ইতিমধ্যে সামনে এসেছে, সেটি হলো—জুলাই শহীদদের তথ্য কে সংগ্রহ করছে, কেন করছে এবং সেই তথ্য শেষ পর্যন্ত কোথায় যাচ্ছে? সূত্র : বিডিনিউজ

চোটে ছিটকে যাওয়া পেসার তৃষ্ণার বদলি ১৭ বছরের ফারজানা

বরখাস্ত প্রসঙ্গে ইংলিশ কোচ জোন্স বললেন ‘আমি এখনো চাকরিতে আছি’

মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

সিসিটিভির ভয়েই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করেছিলেন সিদ্ধার্থ

নীলফামারীতে জামায়াত ও বিএনপি এমপির বিতণ্ডা

প্রতিরোধের মুখে অস্ত্র রেখেই পালাল বিএসএফ

দক্ষিণ আফ্রিকায় ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ ‘এ’ দলের

কক্সবাজারে ডুবে যাওয়া নৌযান নিউ জিল্যান্ডের পরিবারটির, সেখানে থাকতেন তারা

১০

পাকিস্তানের ওপর কেন ভরসা ওয়াশিংটনের

১১

আর্থিক প্রলোভনে জুলাই শহীদদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ

১২

মস্কোয় সিআইএ পরিচালক র‌্যাটক্লিফ, মার্কিন সামরিক বিমানের গোপন সফর ঘিরে নানা প্রশ্ন

১৩

ছেলেদের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের মেয়েদের এশিয়া কাপ প্রস্তুতি

১৪

ব্রাজিলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে কি বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

১৫

ইমরান খানের ‘অস্তিত্ব মুছে ফেলার চেষ্টা করছে’ পাকিস্তান সরকার

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত