রুশ-মার্কিন গোপন যোগাযোগের ইঙ্গিত

মস্কোয় সিআইএ পরিচালক র‌্যাটক্লিফ, মার্কিন সামরিক বিমানের গোপন সফর ঘিরে নানা প্রশ্ন

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ
 ছবি:

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা যখন আবারও অনিশ্চয়তার মধ্যে, ঠিক তখনই রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক পরিবহন বিমানের অঘোষিত যাত্রা নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে। পরে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ ওই বিমানে করে মস্কো সফর করেছেন। সিআইএ পরিচালক হিসেবে র‌্যাটক্লিফের এটিই রাশিয়ায় প্রথম সফর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে এই সফরের উদ্দেশ্য কী, র‌্যাটক্লিফ রাশিয়ার কোন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধ, বন্দি বিনিময় নাকি অন্য কোনো নিরাপত্তা ইস্যু ছিল—এসব বিষয়ে এখনো ওয়াশিংটন বা মস্কো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ফলে অঘোষিত এই সফরকে ঘিরে সম্ভাব্য কূটনৈতিক বার্তা ও উদ্দেশ্য নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং সেবা ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি বোয়িং সি-১৭এ গ্লোবমাস্টার-৩ বিমান ২৫ আগস্ট সকালে লাটভিয়ার রাজধানী রিগা থেকে মস্কোর উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। প্রায় এক ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর বিমানটি মস্কোর ভনুকোভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটির টেইল নম্বর ছিল ০৭-৭১৮১।

এর আগে ২৩ আগস্ট বিমানটি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের ক্যাম্প স্প্রিংসের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ থেকে রিগায় পৌঁছেছিল। ওয়াশিংটন ডিসির কাছাকাছি অবস্থিত জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজ যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও সরকারি উড়োজাহাজ চলাচলের অন্যতম ঘাঁটি।

মঙ্গলবার মস্কোয় পৌঁছানোর পর বিমানটি কয়েক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে। পরে একই দিন মস্কো ছেড়ে আবার রিগার দিকে যায়। ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিমানটির মস্কোর ভনুকোভো বিমানবন্দরে অবতরণের দৃশ্য দেখা গেছে।

ঘটনাটি প্রথমে রহস্য তৈরি করে মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার দুই পক্ষের নীরবতায়। রুশ প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিমানটির মস্কোয় আসার বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। ওই সপ্তাহে ক্রেমলিনে মার্কিন প্রশাসনের কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠকের তথ্যও তাঁর জানা নেই বলে জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ, হোয়াইট হাউস এবং মস্কো ও ওয়াশিংটনে থাকা দুই দেশের দূতাবাসের কাছেও জানতে চাওয়া হয়েছিল। তারাও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ফলে একটি মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমান কেন এমন সময়ে রাশিয়ার রাজধানীতে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়।

পরে সিবিএস নিউজসহ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, সিআইএ পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ ওই সময় মস্কো সফর করছিলেন এবং রাশিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা ছিল। দ্য গার্ডিয়ানও মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে র‌্যাটক্লিফের অঘোষিত মস্কো সফরের খবর প্রকাশ করে। বিবিসিও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর সফরের বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

র‌্যাটক্লিফের সফরের উদ্দেশ্য এখনো প্রকাশ্যে নিশ্চিত না হলেও ঘটনাটির গুরুত্ব কম নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর দুই দেশের সম্পর্ক তীব্র বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সিআইএর মতো গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের অঘোষিত মস্কো সফর স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

সিআইএ শুধু গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের প্রতিষ্ঠান নয়। জাতীয় নিরাপত্তা, সংকট ব্যবস্থাপনা এবং সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক যোগাযোগেও সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই র‌্যাটক্লিফের মতো একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার রাশিয়া সফরকে সাধারণ প্রশাসনিক সফর হিসেবে দেখার সুযোগ কম।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই সফরের সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টার কোনো যোগসূত্র আছে কি না। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হলেও সাম্প্রতিক সময়ে সেই প্রক্রিয়া অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রকাশ্য কূটনৈতিক চ্যানেলে অগ্রগতি কমে যাওয়ার পরিস্থিতিতে দুই পক্ষ পর্দার আড়ালে কোনো যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে কি না, সেটিই এখন পর্যবেক্ষকদের আগ্রহের বিষয়।

তবে র‌্যাটক্লিফের সফরকে সরাসরি শান্তি আলোচনা বলা যাচ্ছে না। এখন পর্যন্ত এমন কোনো সরকারি তথ্য নেই যে তিনি রাশিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির নির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। একইভাবে ইউক্রেনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সফরটির আরেকটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে রাশিয়ায় আটক মার্কিন নাগরিকদের মুক্তি বা বন্দি বিনিময়। অতীতে এ ধরনের সংবেদনশীল আলোচনায় সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। র‌্যাটক্লিফ নিজেও রাশিয়ায় আটক রুশ-মার্কিন নাগরিক সেনিয়া কারেলিনার মুক্তির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বড় একটি বন্দি বিনিময়েও সিআইএ যুক্ত ছিল। ওই চুক্তির মাধ্যমে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক ইভান গার্শকোভিচ, সাবেক মার্কিন মেরিন পল হুইলান এবং রুশ-মার্কিন সাংবাদিক আলসু কুরমাশেভাসহ কয়েকজন মুক্তি পান। ফলে এবার র‌্যাটক্লিফের মস্কো সফরে বন্দি বিনিময়ের কোনো বিষয় আলোচনায় ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সাবেক ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা জন ফোরম্যানও মনে করেন, এত উচ্চপদস্থ একজন মার্কিন কর্মকর্তাকে অল্প সময়ের নোটিশে এবং পূর্বঘোষণা ছাড়াই মস্কোয় পাঠানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কারণ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁর মতে, সফরটি উত্তেজনা প্রশমনের কোনো উদ্যোগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। রাশিয়ায় আটক মার্কিন নাগরিকদের বিষয়ও আলোচনায় থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে রাশিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা উদ্বেগও বেড়েছে। জার্মানিতে সাম্প্রতিক ড্রোন তৎপরতার সঙ্গে রাশিয়ার যোগসূত্র থাকতে পারে—এমন অভিযোগ ও আশঙ্কার মধ্যেই র‌্যাটক্লিফের মস্কো সফর হয়েছে। যদিও এসব ঘটনার সঙ্গে তাঁর সফরের সরাসরি সম্পর্কের কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।

র‌্যাটক্লিফের সফরকে ঘিরে আরেকটি বিষয় নজরে এসেছে মস্কোর একটি কূটনৈতিক গাড়িবহর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মস্কোর রাস্তায় একটি কূটনৈতিক গাড়িবহর দেখা গেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে গাড়িবহরটি কার এবং এর সঙ্গে র‌্যাটক্লিফের সফরের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

মস্কোয় ব্যবহৃত বিমানটির ধরনও আলোচনায় এসেছে। সি-১৭এ গ্লোবমাস্টার-৩ যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভারী সামরিক পরিবহন বিমান। সেনা, সামরিক যান, সরঞ্জাম ও ভারী কার্গো পরিবহনের পাশাপাশি বিশেষ নিরাপত্তা প্রয়োজন এমন মিশনেও এ ধরনের বিমান ব্যবহার করা হয়। ফলে শুধু বিমানটির ধরন দেখে এর যাত্রার উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে উচ্চপর্যায়ের কোনো কর্মকর্তা বা সংবেদনশীল মিশনের ক্ষেত্রে এ ধরনের সামরিক বিমান ব্যবহারের নজির রয়েছে।

বিমানটির যাত্রাপথও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরাসরি মস্কোয় না গিয়ে সেটি প্রথমে রিগায় যায়। ন্যাটোর সদস্য লাটভিয়ার রাজধানী রিগা থেকে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় যাওয়ার এই পথ ইউক্রেন যুদ্ধের বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। রাশিয়া ও ন্যাটোর সম্পর্ক এখন সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে একটি মার্কিন সামরিক বিমান রিগা হয়ে মস্কোয় যাওয়া নিঃসন্দেহে অস্বাভাবিক ঘটনা।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেও একটি মার্কিন নিবন্ধিত বিমান মস্কোয় গিয়েছিল। সে সময় ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভেন উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার রাশিয়া সফর করেছিলেন। তাঁদের সফরের উদ্দেশ্য ছিল রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনা। ফলে এবারও কোনো গোপন কূটনৈতিক যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে—এমন কোনো তথ্য এখনো নেই। বরং এবার পার্থক্য হলো, মস্কো সফরটি ছিল আরও গোপনীয় এবং এর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের নাম সামনে এসেছে।

সিআইএ পরিচালকের সফর যদি সত্যিই রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠকের উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে, তাহলে এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দিক রয়েছে। কারণ গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অনেক সময় এমন সংবেদনশীল বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করা হয়, যা পরে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক পর্যায়ে নেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি, বন্দি বিনিময়, গোয়েন্দা তথ্য, পারমাণবিক ঝুঁকি বা সামরিক উত্তেজনা কমানোর মতো বিষয়ে এ ধরনের যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রকাশ্য নীরবতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের উদ্দেশ্য নিশ্চিত না করার বিষয়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। এর অর্থ হতে পারে, দুই পক্ষই ইচ্ছাকৃতভাবে যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনতে চাইছে না। আবার এটিও সম্ভব যে সফরটি অত্যন্ত নির্দিষ্ট কোনো নিরাপত্তা বা গোয়েন্দা বিষয়ে সীমাবদ্ধ ছিল, যার তথ্য এখনই প্রকাশ করার প্রয়োজন মনে করছে না দুই পক্ষ।

এ মুহূর্তে নিশ্চিত তথ্য হলো, ২৫ আগস্ট একটি মার্কিন সি-১৭এ সামরিক পরিবহন বিমান রিগা হয়ে মস্কোয় গিয়েছিল এবং একই দিন সেখান থেকে ফিরে আসে। পরে একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, সিআইএ পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফ ওই সময় মস্কো সফর করেছেন। কিন্তু তাঁর বৈঠকের বিষয়বস্তু, রুশ পক্ষের অংশগ্রহণকারী এবং আলোচনার ফলাফল এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

এই সফরের গুরুত্ব তাই নির্ভর করবে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের ওপর। যদি আগামী দিনগুলোতে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে নতুন আলোচনা, বন্দি বিনিময়, উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ কিংবা যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া সম্পর্কের কোনো অপ্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখা যায়, তাহলে র‌্যাটক্লিফের এই সফরকে তার প্রাথমিক পর্দার আড়ালের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হতে পারে। আর যদি এমন কোনো অগ্রগতি না আসে, তাহলে এটি হয়তো নির্দিষ্ট কোনো গোয়েন্দা বা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বৈঠকেই সীমাবদ্ধ ছিল।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশ্য কূটনৈতিক তৎপরতা যতই অনিশ্চিত হোক, ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে যোগাযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বরং সেই যোগাযোগের একটি অংশ সম্ভবত এখনো এমন পর্যায়ে চলছে, যার সব তথ্য প্রকাশ্যে আসে না। মস্কোয় মার্কিন সামরিক পরিবহন বিমানের অস্বাভাবিক যাত্রা এবং তার সঙ্গে সিআইএ পরিচালক জন র‌্যাটক্লিফের অঘোষিত সফর সেই গোপন যোগাযোগেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হয়ে থাকলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

প্রশ্ন একটাই—র‌্যাটক্লিফ মস্কোয় কী নিয়ে গিয়েছিলেন এবং কী নিয়ে ফিরলেন? এর উত্তর হয়তো প্রকাশ্য কূটনৈতিক বিবৃতিতে নয়, বরং আগামী কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের পদক্ষেপের মধ্যেই ধীরে ধীরে স্পষ্ট হবে।

চোটে ছিটকে যাওয়া পেসার তৃষ্ণার বদলি ১৭ বছরের ফারজানা

বরখাস্ত প্রসঙ্গে ইংলিশ কোচ জোন্স বললেন ‘আমি এখনো চাকরিতে আছি’

মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

সিসিটিভির ভয়েই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করেছিলেন সিদ্ধার্থ

নীলফামারীতে জামায়াত ও বিএনপি এমপির বিতণ্ডা

প্রতিরোধের মুখে অস্ত্র রেখেই পালাল বিএসএফ

দক্ষিণ আফ্রিকায় ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ ‘এ’ দলের

কক্সবাজারে ডুবে যাওয়া নৌযান নিউ জিল্যান্ডের পরিবারটির, সেখানে থাকতেন তারা

১০

পাকিস্তানের ওপর কেন ভরসা ওয়াশিংটনের

১১

আর্থিক প্রলোভনে জুলাই শহীদদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ

১২

মস্কোয় সিআইএ পরিচালক র‌্যাটক্লিফ, মার্কিন সামরিক বিমানের গোপন সফর ঘিরে নানা প্রশ্ন

১৩

ছেলেদের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের মেয়েদের এশিয়া কাপ প্রস্তুতি

১৪

ব্রাজিলের বাংলাদেশ সফর নিয়ে কি বললেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

১৫

ইমরান খানের ‘অস্তিত্ব মুছে ফেলার চেষ্টা করছে’ পাকিস্তান সরকার

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত