ইচ্ছা হয়নি, তাই রাখিনি : মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক জুমা

ডাকসুর সংগ্রহশালা সংস্কারে জিন্নাহর ছবি, নেই বঙ্গবন্ধুর গুরুত্বপূর্ণ ছবি

আরফাতুল ইসলাম নাইম
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯
ছবি : বিডিনিউজ ছবি:
ছবি : বিডিনিউজ

সংস্কার শেষে আবার চালু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালা। তবে নতুন করে সাজানো এই সংগ্রহশালা ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বিতর্ক। সেখানে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি যুক্ত করা হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একক বা মুক্তিযুদ্ধপূর্ব গুরুত্বপূর্ণ কোনো ছবি রাখা হয়নি। রোববার দুপুরে ডাকসু ভবনের নিচতলায় সংস্কার করা সংগ্রহশালাটির উদ্বোধন করেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা। এ সময় ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর সংগ্রহশালা ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন, ২০০৯ সালের পরের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা এবং ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ের স্থিরচিত্র সেখানে স্থান পেয়েছে।

সেখানে ১৯৪৮ সালে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভাষণের একটি ছবি রয়েছে। ওই ভাষণে তিনি উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। এ ছাড়া ১৯৪০ সালের লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সম্মেলনের একটি দলগত ছবিতে জিন্নাহর উপস্থিতি এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত জিন্নাহর ছবি-সংবলিত পাকিস্তানের ডন পত্রিকার একটি কাটিং রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো একক বা গুরুত্বপূর্ণ ছবি সেখানে দেখা যায়নি। ১৯৭৪ সালে তাঁর দুই ছেলের বিয়ের ছবি এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি-সংবলিত তিনটি পত্রিকার কাটিং রাখা হয়েছে।

ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ছয় দফা, আগরতলা মামলা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন কিংবা ৭ মার্চের ভাষণ—বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ এসব অধ্যায়ে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ছবি সংগ্রহশালায় নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ‘ফ্যাসিবাদের সব আইকনের ছবি’ সংগ্রহশালা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তাঁর দাবি, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের অংশে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি রয়েছে।

১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের অংশে বঙ্গবন্ধুর ছবি না থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ইচ্ছা হয়নি, তাই রাখিনি।’ তবে জিন্নাহর ছবি থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, তিনি জিন্নাহর ছবি রাখেননি; সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনার ছবি রাখা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ ও আন্দোলনের ইতিহাস

সংগ্রহশালার ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সালের অংশে ভাষা আন্দোলনের বিভিন্ন দৃশ্য, ভাষাশহীদদের ছবি, ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক পিয়ারু সরদারের ছবি এবং মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতার উল্লেখ রয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টরের কমান্ডার, পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ও বুদ্ধিজীবীদের ছবি এবং সাত বীরশ্রেষ্ঠের ছবিও রয়েছে। এসব ছবির নিচের দিকে মুক্তিযুদ্ধের একটি খোদাইচিত্র রাখা হয়েছে, যেখানে বঙ্গবন্ধুর অবয়বও রয়েছে।

১৯৭১ থেকে ১৯৮১ সালের অংশে বঙ্গবন্ধুর দুই ছেলের বিয়ের ছবি এবং তাঁর ছবি-সংবলিত তিনটি পত্রিকার কাটিং রয়েছে। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং ‘বাংলাদেশে কোনো বিরোধীদল নেই’ শিরোনামের একটি সংবাদ কাটিংও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ের খাল খনন, তাঁর যুদ্ধকালীন দুটি ছবি, ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট পেপারের ছবি এবং জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার একটি স্থিরচিত্রও সেখানে রয়েছে।

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের আলোকচিত্র

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ১৪টি স্থিরচিত্র রাখা হয়েছে সংগ্রহশালায়। এর মধ্যে শহীদ নূর হোসেনের বুকে লেখা ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’—এর ঐতিহাসিক ছবিটিও রয়েছে।

১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে নিহতদের তালিকা, শহীদ আসাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার দৃশ্য এবং ডাকসুর আন্দোলনসংক্রান্ত বিভিন্ন ছবিও রাখা হয়েছে।

২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের অংশে শাহবাগ আন্দোলন, হেফাজতে ইসলামের আন্দোলন, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ ও সানি হত্যাকাণ্ড, ২০২০ সালের মোদি বিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন ছবি রয়েছে। তবে ১৯৯১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সময়ের উল্লেখযোগ্য কোনো স্থিরচিত্র সংগ্রহশালায় চোখে পড়েনি।

সাহিত্যিকদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, হুমায়ূন আহমেদ, জসীমউদ্দীন, মুনীর চৌধুরী, আবুল ফজলসহ আরও কয়েকজনের ছবি রাখা হয়েছে। এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, নবাব সলিমুল্লাহ, এম এ জি ওসমানীসহ বিভিন্ন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছবিও রয়েছে।

ওসমান হাদীর ছবিও যুক্ত

সংগ্রহশালার নতুন সংযোজনের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদীর ছবিও রয়েছে। তাঁর গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা থেকে শুরু করে সিঙ্গাপুর থেকে মরদেহ দেশে আনা, জানাজা এবং কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফনের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি রাখা হয়েছে। যদিও তিনি অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে বিতর্কিত হয়েছেন।

ডাকসুর বোর্ডে জিএসের নাম নেই

সংগ্রহশালার ডাকসু বোর্ডেও একটি ব্যতিক্রম দেখা গেছে। ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে নির্বাচিত ভিপি নুরুল হক নুরের নাম থাকলেও জিএসের ঘরটি ফাঁকা রাখা হয়েছে। ওই নির্বাচনে জিএস নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালীন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। পরে তাঁর ছাত্রত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁর পদ বাতিল করে ওই মেয়াদে রাশেদ খাঁনকে জিএস হিসেবে ঘোষণা করে।

জিএসের ঘর ফাঁকা রাখার কারণ জানতে চাইলে বর্তমান ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, রাব্বানী ও রাশেদ খাঁন—দুজনের বিষয়েই বিতর্ক রয়েছে। তাঁর ভাষ্য, রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হয়েছে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট ডাকসু কমিটির মেয়াদও শেষ হয়েছে। ফলে তাঁদের কারও নাম দিলে তা নতুন করে পদধারী হওয়ার অর্থ তৈরি করতে পারে। এ কারণে ঘরটি খালি রাখা হয়েছে।

সমালোচনা ও অভিযোগ

সংগ্রহশালা সংস্কারের বিষয়ে সমালোচনা করেছেন সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নূমান আহমাদ চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করেন, সংস্কারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সংগ্রহশালার ইতিহাস উপস্থাপনে পক্ষপাত তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, ‘‘ডাকসু মুজিবের ছবি রেখেছে, তবে মুজিবের জীবনের যে অধ্যায়টা বিতর্কিত—সেই সময়ের ছবি রেখেছে। কিন্তু যে মুজিবকে সামনে রেখে পুরো বাঙালি জাতি মুক্তিসংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, সেই মুজিবকে সরিয়ে ফেলেছে। ওরা আপামর বাঙালির নেতা শেখ মুজিবকে মুছে দিয়ে শুধু তার বিতর্কিত অধ্যায়টা রাখতে চায়; কারণ তাকে মুছে দিতে পারলে ও বিতর্কিত করতে পারলে বাংলাদেশের জন্মকে ও স্বাধীনতার সংগ্রামকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায়। ১৯৭১ এ পরাজয়ের জ্বালায় একটু প্রলেপ দেওয়া যায়।” তিনি বলেন, “একাত্তর পূর্ববর্তী সময়ে পাকিস্তানি শাসকদের এক নম্বর পূর্ববঙ্গীয় শত্রু ছিলেন শেখ মুজিব। তাদের উত্তরসূরিদের ক্ষেত্রেও তাই হওয়াটাই স্বাভাবিক। স্বাধীনতার পর শিবিরের আদি পিতা যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম চেষ্টা করেছিলেন ভেঙে দুই টুকরা হয়ে পাকিস্তানকে পুনরায় জোড়া লাগানোর। গোলাম আযমের উত্তরসূরিরা যে তার সেই পরিকল্পনা থেকে এখনো সরে আসেনি, ডাকসু সংগ্রহশালা থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে ফেলাই তা প্রমাণ করে।” 

নূমান আরও অভিযোগ করেন, বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে জিন্নাহর ছবি যুক্ত করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের উপস্থাপনায় একটি ভিন্ন রাজনৈতিক বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডাকসুর এক সাবেক নেতা বলেন, এর আগে ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি ছিল না। তাঁর দাবি, বর্তমান ডাকসুতে ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল নির্বাচিত হওয়ার পরই ছবিটি যুক্ত হয়েছে।

তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সাবেক কর্মচারীর ভিন্ন দাবি

ডাকসু সংগ্রহশালায় এখন কোনো তত্ত্বাবধায়ক নেই। এর আগে গোপাল চন্দ্র দাস নামে একজন ছিলেন, যাকে সবাই ডাকসুর গোপাল দা নামেই চেনেন। তিনি কয়েক বছর আগে অবসরে যাওয়ার পর কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। গোপালচন্দ্র দাসকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, “আলী জিন্নাহর ছবি জীবনেও ছিল না। আমি ১৯৯১ সাল থেকে এখানে কাজ করি। এ সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা থেকে আমি সব দুর্লভ ছবিগুলো সংগ্রহ করেছি। ভাষা আন্দোলনের আমগাছটাও আমার সংগ্রহ করা। আর আলী জিন্নাহর থাকবেই বা কেন? বাংলাদেশকে আজ পাকিস্তান বানিয়েছে শিবির।” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নেই শুনতেই গোপালচন্দ্র দাস বলেন, “হায় হায়, এখানে অনেক রেয়ার কিছু ছবি ছিল। তাও শেষ করে ফেলছে শিবির! কী আর বলব!"

সব মিলিয়ে ডাকসু সংগ্রহশালার নতুন বিন্যাসে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় স্থান পেলেও কোন ব্যক্তি, ঘটনা ও সময়কে কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে—তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযুদ্ধপূর্ব রাজনৈতিক ভূমিকার গুরুত্বপূর্ণ আলোকচিত্র না থাকা এবং একই সময়ে জিন্নাহর ছবি যুক্ত হওয়ার বিষয়টি ইতিহাসের উপস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

সূত্র : বিডিনিউজ

একসময়ের ‘বাংলার ভেনিস’ বরিশাল এখন দারিদ্র্যে শীর্ষে

ইসরাইলি নৃশংসতায় ব্রিটিশ মদদ, সরকারের গড়িমসি আর কত

টানাপোড়েন সত্ত্বেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী ভারত

কীটনাশক কোম্পানির ‘ইচ্ছামতো’ দামে দিশাহারা কৃষক

ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সেলিম উদ্দিন ও সাদিক কায়েম

ব্যবসায়ীকে মামলার ভয় দেখিয়ে ১৮ লাখ টাকা ও ক্রিপ্টো আদায়ের অভিযোগ

জামালপুরে মুক্তিযোদ্ধার ঘরে আগুন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করছে পুলিশ

কওমি ছাত্রদের আপত্তির মধ্যেই কড়া নিরাপত্তায় শান্তিপূর্ণভাবে হলো কলেজের কনসার্ট

স্ক্যাম সেন্টার: কম্বোডিয়ায় ‘বন্দি’ ৩২ জনের খোঁজ চায় পরিবার

১০

জিন্নাহর ছবি, ‘নির্ভীক জুলাই’, শিক্ষক মূল্যায়ন: জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ঢাবি

১১

ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনের পর চার মৃত্যু, পদদলিত হওয়ার তথ্য নাকচ প্রশাসনের

১২

রাজপথে বাঁচার আকুতি: তিন প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায় রাব্বী হত্যাকাণ্ড

১৩

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভানের জাদুকরী পারফরম্যান্সে যুক্তরাষ্ট্র দলে ডাকের অপেক্ষা

১৪

দিনাজপুরে হলুদ তরমুজ চাষে সফল কৃষক হাবিবুর রহমান

১৫

রংপুরে পুলিশ কর্মকর্তাদের অব্যাহতির বিরুদ্ধে নারাজি মঞ্জুর

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত