মরিয়মের মামলার আপস কি গাজী নজরুলকে রক্ষা করবে

মিষ্টির পদত্যাগের পর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১০
 ছবি:
  • দুই এমপির ক্ষেত্রে দুই ধরনের পরিস্থিতি; দলীয় বহিষ্কার ও পদত্যাগের আইনি পার্থক্যই মূল আলোচনায়

একজন দলীয় সিদ্ধান্তে পদত্যাগ করে সংসদ সদস্যের পদ হারিয়েছেন, অন্যজন দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েও এখনো সংসদ সদস্য হিসেবে বহাল। দুজনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও তাঁদের দলের নেওয়া সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন তুলনা সামনে এসেছে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি ও গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে।

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযোগ ওঠার পর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশের পর তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তাঁর আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়।

অন্যদিকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এখনো এমপি পদে রয়েছেন। দলটি তাঁর বহিষ্কারের বিষয়টি জানিয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছিল। তবে শুধু দল থেকে বহিষ্কারের কারণে তাঁর সংসদীয় আসন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

এখানেই মূল আইনি পার্থক্যটি সামনে আসছে। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্য দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তাঁর আসন শূন্য হবে। সেখানে দল কর্তৃক বহিষ্কারের কথা সরাসরি বলা নেই। অন্যদিকে সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ)-তে নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতার বিধান রয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলও সম্প্রতি বলেছেন, গাজী নজরুল দল থেকে বহিষ্কৃত হলেও তিনি পদত্যাগ করেননি এবং সংসদে দলের বিপক্ষে ভোটও দেননি। ফলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বর্তমান ভাষা অনুযায়ী তাঁর সদস্যপদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হওয়ার প্রশ্নে আইনি জটিলতা রয়েছে। অন্যদিকে মিষ্টি পদত্যাগ করায় তাঁর আসন শূন্য হয়েছে।

জামায়াতের অবস্থান

গাজী নজরুলকে বহিষ্কারের পর জামায়াত স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। পরে গাজী নজরুলকে দুটি সংসদীয় কমিটি থেকেও সরানো হয়।

তবে সংসদবিষয়ক গবেষক অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমেদের বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু দলীয় চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হয় না। এ ক্ষেত্রে সংবিধান ও সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়াও জুলাইয়ে বলেছিলেন, ৭০ অনুচ্ছেদে দল থেকে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে; বহিষ্কারের কথা নেই। নৈতিক স্খলনের কারণে সদস্যপদ হারানোর ক্ষেত্রেও আদালতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার প্রশ্ন রয়েছে।

অন্যদিকে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বিষয়টিকে শুধু ৭০ অনুচ্ছেদের প্রশ্ন হিসেবে দেখেননি। তাঁর মতে, সংসদের মর্যাদাহানি হলে স্পিকারের নেতৃত্বাধীন বিশেষ অধিকার-সংক্রান্ত কমিটির মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি গাজী নজরুলের বিষয়টি ওই কমিটিতে আলোচনার পক্ষে মত দিয়েছিলেন।

মিষ্টির ঘটনায় কেন ভিন্ন পরিস্থিতি

ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত সরাসরি তাঁর পদত্যাগের দিকে গড়িয়েছে। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তদন্তাধীন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ দলীয় পদত্যাগ এবং ফৌজদারি দায়—দুটি বিষয়কে আলাদা করে দেখছে সরকার।

মিষ্টি পদত্যাগপত্রে নিজেকে ‘সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায়’ পদত্যাগকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে পদত্যাগের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘তদন্ত হোক’ এবং ‘বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে।’ এরপরই তাঁর পদত্যাগপত্র জমা পড়ে।

সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক রুহিন হোসেন প্রিন্স এ দুই ঘটনায় দলীয় জবাবদিহির প্রশ্নটি সামনে এনেছেন। তাঁর মতে, অন্যায়ের অভিযোগে ক্ষমতাসীন দলের একজন এমপিকে পদত্যাগ করতে হওয়া একটি রাজনৈতিক বার্তা তৈরি করেছে। একই সঙ্গে জামায়াতের বহিষ্কৃত এমপির পদ বহাল থাকায় তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, দলটি আরও কঠোরভাবে পদত্যাগের উদ্যোগ নিতে পারত কি না।

তবে এই বক্তব্যের বিপরীতে আইনি বাস্তবতা হলো—কোনো রাজনৈতিক দল তার সদস্যকে বহিষ্কার করলেই সংসদ সদস্যের আসন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে যায় না। দলীয় সিদ্ধান্ত ও সাংবিধানিক সদস্যপদ—দুটি পৃথক বিষয়। এই পার্থক্যই মিষ্টি ও গাজী নজরুলের ক্ষেত্রে ফলাফলের বড় কারণ।

মরিয়মের মামলার আপস কি গাজী নজরুলকে রক্ষা করবে

গাজী নজরুলকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় বাদীপক্ষের সঙ্গে আপসের পর। ৩০ সেপ্টেম্বর মরিয়মের বাবা ও মামলার বাদী এস এম মাসুম বিল্লাহ আদালতে একটি আপসনামা দাখিল করেন। সেখানে গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম জামিনে মুক্তি পেলে আপত্তি নেই বলে জানানো হয়। ওই আপসের পর মাকছুদার জামিন মঞ্জুর হলেও গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপসনামা দাখিল হওয়ায় মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছে না। দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অপরাধের শাস্তির বিধান রয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় এই অপরাধকে আপসযোগ্য অপরাধের তালিকায় রাখা হয়নি। ফলে বাদী আপস করলেও তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া চালু থাকার সুযোগ রয়েছে।

প্রথম আলোর আইনি বিশ্লেষণে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হারুণ অর রশিদ বলেছেন, আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা আপসযোগ্য নয়; বাদী আপস করলেও আদালত তা গ্রহণ করতে বাধ্য নন। একই প্রতিবেদনে আইনজীবী ইশরাত হাসানও বলেছেন, আপসের ভিত্তিতে এ ধরনের মামলায় আসামিকে জামিন দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।

ফলে মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপসের বিষয়টি গাজী নজরুলের ফৌজদারি মামলার একটি পরিস্থিতি বদলালেও তাঁর সংসদ সদস্য পদ নিয়ে এর সরাসরি প্রভাব তৈরি হয়েছে—এমনটা বলার সুযোগ নেই। এমপি পদ শূন্য হওয়ার প্রশ্নটি মূলত সংবিধানের সদস্যপদ-সংক্রান্ত বিধান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

চারটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ

এই বিতর্কে চার ধরনের মত সামনে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক রুহিন হোসেন প্রিন্স দলীয় জবাবদিহিকে গুরুত্ব দিয়েছেন। সংসদবিষয়ক গবেষক নিজাম উদ্দিন আহমেদ দলীয় বহিষ্কার ও সংসদ সদস্য পদ শূন্য হওয়ার মধ্যে আইনি পার্থক্যের কথা বলেছেন। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ৭০ অনুচ্ছেদের ভাষাগত সীমাবদ্ধতার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। আর সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার সংসদের বিশেষ অধিকার-সংক্রান্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি দেখার সুযোগের কথা বলেছেন।

এই মতগুলো এক জায়গায় মিলিত হয়—দলীয় শাস্তি এবং সংসদ সদস্যের সাংবিধানিক পদ একই বিষয় নয়। একটি দল কাউকে বহিষ্কার করতে পারে; কিন্তু সেই সিদ্ধান্তের পর সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে কি না, তা নির্ধারণে সংবিধানের নির্দিষ্ট বিধান ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া প্রাসঙ্গিক।

সংবিধানের ৬৬(৪) অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য তাঁর নির্বাচনের পর নির্দিষ্ট অযোগ্যতার অধীন হয়েছেন কি না বা ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে তাঁর আসন শূন্য হবে কি না—এ নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে প্রশ্নটি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানোর বিধান রয়েছে এবং কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। এ কারণেই গাজী নজরুলের বিষয়ে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে এতদিন ধরে আলোচনা চলছে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ ২১ সেপ্টেম্বর জানিয়েছিলেন, গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদের বিষয়ে স্পিকারের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশন তখনও কোনো চিঠি পায়নি। ফলে মিষ্টির পদত্যাগ এবং গাজী নজরুলের পদ বহাল থাকার ঘটনাকে শুধু ‘দুই দলের দুই রকম আচরণ’ হিসেবে দেখলে সাংবিধানিক পার্থক্যটি বাদ পড়ে যায়। এক ক্ষেত্রে সংসদ সদস্য নিজে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন; অন্য ক্ষেত্রে দল সদস্যকে বহিষ্কার করেছে, কিন্তু তিনি নিজে পদত্যাগ করেননি। এর সঙ্গে আবার গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চলমান ফৌজদারি মামলার বিষয়টি আলাদা আইনি প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

এখন মূল প্রশ্ন তিনটি—গাজী নজরুলের সংসদ সদস্য পদ নিয়ে সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয়, মরিয়মের মামলার তদন্ত ও বিচার কোন দিকে যায় এবং দলীয় বহিষ্কারের পর একজন নির্বাচিত প্রতিনিধির জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য বর্তমান আইনি কাঠামো কতটা কার্যকর। মিষ্টির পদত্যাগের পর এসব প্রশ্নই নতুন করে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

১

আনসারের তিন আইন একীভূত করে হচ্ছে ‘আনসার বাহিনী আইন’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২

৯-২ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, ফাইনালে ইন্দোনেশিয়া

৩

মুন্সীগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ছাত্রকে আছাড় দিলেন সহপাঠীর অভিভাবক

৪

নিজের বাড়িতে হামলার মামলা করে উল্টো সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে বৃদ্ধা

৫

বগুড়ায় হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা

৬

আম্মারকে ‘বহিষ্কারের’ তথ্য এক বছর পর কেন প্রকাশ্যে আনল শিবির

৭

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ১২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ হবে ১৬ হাজার ২৬৫ স্থাপনায়

৮

‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা

৯

যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে আরও কঠোর জবাবের প্রস্তুতি ইরানের, অনিশ্চিত কূটনীতি

১০

ছুটির দিনে কাজে দ্বিগুণ বেতন, বসকে ঠাট্টার সুযোগ: জেন-জি উদ্যোক্তার অভিনব কৌশল

১১

সরকারি দায়িত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা, মাঠের শূন্যতা পূরণ হবে কীভাবে

১২

সেপ্টেম্বরে ধর্ষণের শিকার ৪৯ নারী-কন্যা, ৫২ জনকে হত্যা

১৩

রেমিট্যান্স ও রফতানি, দুই খাতেই চাপ বাড়ছে

১৪

সড়কের পাশে বৃদ্ধকে দেখে থামল প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি, নিলেন দোয়া

১৫

মিষ্টির পদত্যাগের পর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে প্রশ্ন

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

১৫

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

সম্পর্কিত