বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জ

সরকারি দায়িত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা, মাঠের শূন্যতা পূরণ হবে কীভাবে

বিশেষ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১০
 ছবি:
  • রাড্ডা থেকে মিরপুরের হকার সংঘর্ষ—একাধিক ঘটনায় প্রশ্ন; প্রশাসনের পাশাপাশি মাঠে সাংগঠনিক নেতৃত্ব বাড়ানোর তাগিদ

ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির শীর্ষ ও অভিজ্ঞ নেতাদের একটি অংশ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে চলে গেছেন। ফলে প্রশ্ন উঠছে—সরকার পরিচালনায় ব্যস্ত হয়ে পড়া এসব নেতার অনুপস্থিতিতে দলের মাঠপর্যায়ের সাংগঠনিক নেতৃত্বে কি শূন্যতা তৈরি হয়েছে? সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক আলোচিত ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি এই প্রশ্নটিই সামনে এসেছে। এসব ঘটনার সবগুলো রাজনৈতিক নয়; ব্যক্তিগত বিরোধ, দখল, উচ্ছেদসহ নানা কারণেও সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। তবে কয়েকটি ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠায় দলটির ওপর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক চাপ তৈরি হয়েছে।

মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির নাম আলোচনায় আসে। বৃহস্পতিবার তাঁকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে মিষ্টি স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং তাঁর আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, অভিযোগের তদন্তে প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ দলীয় ব্যবস্থা এবং আইনি প্রক্রিয়া—দুই পথই এখন আলাদা করে এগোচ্ছে।

এর এক দিন আগে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, মহানগর উত্তর যুবদল ও মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। একই সময়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের পেছনে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, মেয়াদোত্তীর্ণতা এবং সংগঠনবিরোধী ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

এর আগে ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওসহ নিউগিনি প্রপার্টিজ এলাকায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও আলোচনায় আসে। ওই ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ফলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রশ্নের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রভাব, সংগঠনের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

সবশেষ ৩০ সেপ্টেম্বর মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে হকারদের সঙ্গে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় সিটি করপোরেশনের কয়েকটি গাড়িতে আগুন এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পরে ঘটনাটিকে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির সঙ্গে যুক্ত করেন। ফলে এই ঘটনাকে সরাসরি দলীয় রাজনীতির ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং নগর ব্যবস্থাপনা, হকার পুনর্বাসন ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনার সমন্বয়হীনতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

তবে একের পর এক এসব ঘটনায় একটি রাজনৈতিক প্রশ্ন সামনে এসেছে—ক্ষমতায় যাওয়ার পর বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বের একটি বড় অংশ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে চলে যাওয়ায় মাঠপর্যায়ে কি নেতৃত্বের ঘাটতি তৈরি হয়েছে?

বিএনপির এক যুগ্ম মহাসচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বর্তমানে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত ও নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে—এমন কেন্দ্রীয় নেতা তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। দীর্ঘদিন রাজপথে থাকা নেতাদের অনেকেই এখন রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কাঠামো ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে আগের মতো যোগাযোগ রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মনে করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। দলীয় রাজনীতিতে রিজভীর দীর্ঘদিনের কর্মীবান্ধব ভাবমূর্তি থাকলেও তিনিও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। বিএনপির ওই নেতা মনে করেন, সরকার পরিচালনা এবং দল পরিচালনা—দুই ধরনের কাজের চরিত্র এক নয়। প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা একজন নেতা রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকেন; কিন্তু একজন সাংগঠনিক নেতাকে একই সময়ে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা থেকে মহানগর পর্যন্ত কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়, স্থানীয় বিরোধের খবর জানতে হয় এবং কোনো ঘটনা বড় আকার নেওয়ার আগেই রাজনৈতিকভাবে তা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে হয়।

এই জায়গায় প্রশাসনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা দীর্ঘমেয়াদে সাংগঠনিক বিকল্প হতে পারে না বলে মনে করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, মাঠের মেজাজ বোঝার জন্য মাঠের নেতাদের প্রয়োজন। সব ধরনের বিরোধ বা উত্তেজনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজের বক্তব্যও এই আলোচনার একটি দিক সামনে আনে। তাঁর মতে, জুলাই আন্দোলনের অন্যতম বার্তা ছিল দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব থেকে মানুষকে মুক্ত করা। বড় রাজনৈতিক দলগুলো সেই প্রত্যাশাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে উপলব্ধি করতে না পারলে স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। হকারদের সঙ্গে মিরপুরের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এ ধরনের সমস্যা শুধু পুলিশের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা কতটা কার্যকর। তাঁর মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মাঠে গিয়ে স্থানীয় বাস্তবতা বুঝে সমাধানের উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি অন্যভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি দল ও প্রশাসন—দুই ক্ষেত্রেই সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

বিএনপির তৃণমূল নেতাদের মধ্যেও একই ধরনের আলোচনার প্রতিফলন রয়েছে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির এক যুগ্ম আহ্বায়ক মনে করেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে যারা মাঠে ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সরাসরি যোগাযোগ দলটির শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। সরকার গঠনের পর সেই নেতাদের অনেকেই এখন রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকায় তৃণমূলের সঙ্গে নিয়মিত রাজনৈতিক যোগাযোগে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।

তবে বিএনপির নেতাদের একটি অংশ এই পরিবর্তনকে নেতৃত্বের সংকট হিসেবে দেখতে রাজি নন। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য সুলতানা আহম্মাদ মনে করেন, বিএনপি দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা একটি বড় রাজনৈতিক সংগঠন। দেশের বিভিন্ন স্তরে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী থাকায় সব সময় সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলেও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি বলেন, বড় রাজনৈতিক দল পরিচালনায় মাঠ থেকে উঠে আসা নেতাদের গুরুত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে আধুনিক ও গণতান্ত্রিক দল হিসেবে বিএনপিতে বিভিন্ন ধরনের নেতৃত্বের সমন্বয় রয়েছে। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা বিচ্ছিন্ন ও সাময়িক; এসব কারণে পুরো সাংগঠনিক কাঠামোকে সংকটে আছে বলা ঠিক হবে না।

দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুও নেতৃত্বের সংকটের ধারণার সঙ্গে একমত নন। তাঁর মতে, কোনো সাংগঠনিক নেতা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে গেলে সাময়িকভাবে কিছুটা শূন্যতা তৈরি হতে পারে। তবে সময়ের সঙ্গে নতুন নেতৃত্ব সেই জায়গা পূরণ করতে পারে। আগামী দিনের কাউন্সিলসহ সাংগঠনিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে আরও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব সামনে আসবে বলেও তিনি মনে করেন।

বিএনপির জন্য মূল চ্যালেঞ্জটি হলো—রাষ্ট্র পরিচালনা ও দল পরিচালনার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে তৈরি করা যায়। একটি দলের শীর্ষ নেতারা যখন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন, তখন তাঁদের পক্ষে একই সঙ্গে প্রতিদিনের প্রশাসনিক কাজ এবং দলীয় সাংগঠনিক তৎপরতায় সমান সময় দেওয়া কঠিন। এই বাস্তবতায় দলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতৃত্ব কতটা কার্যকরভাবে মাঠের দায়িত্ব নিতে পারছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো থেকে আরও একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে—প্রতিটি ঘটনা দলীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয়। মিরপুরের হকার সংঘর্ষের মতো ঘটনায় প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি যেমন ভূমিকা রাখতে পারে, তেমনি রাড্ডা সেন্টারের মতো ঘটনায় দলীয় নেতাকর্মীদের আচরণ সরাসরি রাজনৈতিক প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। ফলে সব ঘটনাকে একই কাঠামোয় বিচার করাও বাস্তবসম্মত নয়। তারপরও ক্ষমতাসীন দলের জন্য মাঠপর্যায়ের সাংগঠনিক উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো আইন প্রয়োগ করতে পারে, কিন্তু স্থানীয় রাজনৈতিক সম্পর্ক, কর্মীদের আচরণ, দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং জনমতের পরিবর্তন সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের ভূমিকা আলাদা।

বিএনপির সামনে তাই প্রশ্নটি শুধু সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা কীভাবে সামাল দেওয়া হবে—তা নয়। দীর্ঘ মেয়াদে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থাকা শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি এমন একটি শক্তিশালী সাংগঠনিক নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব কি না, যারা মাঠের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবে এবং সংকট বড় হওয়ার আগেই রাজনৈতিকভাবে তা মোকাবিলা করতে পারবে—সেটিই বড় বিষয়।

সাম্প্রতিক সময়ে দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। রাড্ডা-কাণ্ডে মিষ্টির পদত্যাগ, বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকে বহিষ্কার এবং ঢাকা মহানগর উত্তরসহ তিনটি কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত তারই উদাহরণ। তবে এসব তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে নতুন নেতৃত্ব তৈরি, কেন্দ্র ও তৃণমূলের যোগাযোগ বাড়ানো এবং রাজনৈতিকভাবে স্থানীয় সমস্যা মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হয় কি না, সেটিই আগামী দিনের পরীক্ষার জায়গা।

ক্ষমতাসীন বিএনপির জন্য প্রশাসন ও সংগঠন—দুই কাঠামোর কাজের সীমা ও সমন্বয় স্পষ্ট করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রের; কিন্তু দলের নেতাকর্মীদের আচরণ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা এবং স্থানীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলের নিজস্ব দায়িত্বও রয়েছে। সেই দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠে কার্যকর নেতৃত্ব কতটা দ্রুত গড়ে ওঠে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পর সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

১

আনসারের তিন আইন একীভূত করে হচ্ছে ‘আনসার বাহিনী আইন’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২

৯-২ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ, ফাইনালে ইন্দোনেশিয়া

৩

মুন্সীগঞ্জে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ছাত্রকে আছাড় দিলেন সহপাঠীর অভিভাবক

৪

নিজের বাড়িতে হামলার মামলা করে উল্টো সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় কারাগারে বৃদ্ধা

৫

বগুড়ায় হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় আওয়ামী লীগ নেতা

৬

আম্মারকে ‘বহিষ্কারের’ তথ্য এক বছর পর কেন প্রকাশ্যে আনল শিবির

৭

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ১২ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ হবে ১৬ হাজার ২৬৫ স্থাপনায়

৮

‘আম্মার উড়ে আসা নেতা’, কার ওপর গজব পড়ার কথা বললেন উমামা

৯

যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে আরও কঠোর জবাবের প্রস্তুতি ইরানের, অনিশ্চিত কূটনীতি

১০

ছুটির দিনে কাজে দ্বিগুণ বেতন, বসকে ঠাট্টার সুযোগ: জেন-জি উদ্যোক্তার অভিনব কৌশল

১১

সরকারি দায়িত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা, মাঠের শূন্যতা পূরণ হবে কীভাবে

১২

সেপ্টেম্বরে ধর্ষণের শিকার ৪৯ নারী-কন্যা, ৫২ জনকে হত্যা

১৩

রেমিট্যান্স ও রফতানি, দুই খাতেই চাপ বাড়ছে

১৪

সড়কের পাশে বৃদ্ধকে দেখে থামল প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি, নিলেন দোয়া

১৫

মিষ্টির পদত্যাগের পর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে প্রশ্ন

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

১৫

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

সম্পর্কিত